মাঝ রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় হামলার মুখে পড়লেন চারজন। বেধড়ক মার খাওয়ার পর ঘটনাস্থলে মারা গেলেন তিনজন। এমনকী, জনতার ভিড়ের মধ্যেও লাঠি চালাল হামলাকারী। লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল এক বৃদ্ধের। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আসানসোলের জামুরিয়ায়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: চিনা সামগ্রী বয়কটের জের, কদর বেড়েছে মাটির প্রদীপের, আশায় বুক বাঁধছেন মৃৎশিল্পীরাও

ঘটনার সূত্রপাত দিন কয়েক আগে। জামুরিয়ার শিবপুর ভুঁইয়াপাড়া এলাকায় একটি মদের দোকানে হাজির হয় সাধু মাঝি নামে এক ব্যক্তি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মদ্যপ অবস্থায় দোকানে এসে রীতিমতো অশান্তি শুরু করে সে। মারধর করে হাত ভেঙে দেয় দোকান মালিকের। সাধুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর স্রেফ প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই অভিযুক্ত মদের দোকানের তিনজন কর্মীকে পিটিয়ে খুন করেছে বলে অভিযোগ। 

আরও পড়ুন: হেলমেট না পরার শাস্তি, বাইক আরোহীর মাথা ফাটিয়ে দিল সিভিক ভলেন্টিয়ার

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতেরা হলেন অম্বুজ মণ্ডল, প্রশান্ত সাহা ও সুবোধ বাউরি। তাঁদের সকলেরই বাড়ি বাঁকুড়ায়। জামুরিয়ার শিবপুর ভুঁইয়াপাড়ার ওই মদের দোকানে চাকরি করতেন ওই তিনজন। বৃহস্পতিরার কাজ শেষ হওয়ার পর রাতে দোকানে ছিলেন অম্বুজ, প্রশান্ত ও সুবোধ। মাঝ রাতে তাঁদের উপর অতর্কিতে সাধু মাঝি হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এমনই মারধর করা হয় যে, ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান তিনজনই। ঘটনাটি জানাজানি হতে দোকানে সামনে ভিড় করেন আশেপাশের লোকজন, আসে পুলিশও। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশ সামনে ভিড়ের মধ্যে ফের লাঠি চালাতে শুরু করে সাধু। লাঠি আঘাতে প্রাণ হারান কালিয়া ভুঁইয়া নামে এক বৃদ্ধ। মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। শেষপর্যন্ত স্থানীয় বাসিন্দারা কোনওমতে অভিযুক্তকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।