বাইক চালানোর সময় হেলমেট না পরার জন্য মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল সিভিক ভলেন্টিয়ার। ঘটনাটি ঘটেছে  জেমস লং সরণি শীল পাড়াতে। বছর ২১ এর ঠাকুরপুকুরের ওই বাইক আরোহীর নাম  পল্লব সরকার। ইতিমধ্য়ে পল্লবের মাথায় ছটা সেলাই পড়েছে।

আরও পড়ুন, বেলুড়ে বাজি ফাটানোর প্রতিবাদে বেধড়ক মার পুলিশকে, গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২

 

আচমকাই লাঠি দিয়ে পল্লবের মাথায় সজোরে আঘাত  

জানা গিয়েছে, পল্লবের বাবার পরিমল সরকার বাবার একটি মুদিখানা দোকান আছে।  হেলমেট ছাড়াই পল্লব বাইক চালাচ্ছিল।  সেই সময় জেমস লং সরণি তে ঠাকুরপুকুর ট্রাফিক গার্ড  গাড়ির কাগজপত্র চেক করছিল। এদিকে পল্লবের মাথায় হেলমেট  না থাকার জন্য সে ভয় পেয়ে পাশ কাটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ঠিক সেই সময় স্থানীয় এক যুবক অরুণ দত্ত পেশায় সিভিক ভলেন্টিয়ার, আচমকাই তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে পল্লবের মাথায় সজোরে আঘাত করে। 


নাক দিয়ে অঝোরে রক্ত পড়েছে পল্লবের 

 পল্লব বাইক নিয়ে ভারসাম্য না রাখতে পেরে রাস্তায় পড়ে যায় কিছুক্ষণের জন্য অজ্ঞান হয়ে যায়। তার মাথা ও নাক থেকে পড়তে থাকে রক্ত।  স্থানীয় লোকেরা সেই সময় তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায়। পল্লব বেশ কিছুক্ষণ জেমস লং এর উপর পড়ে থাকে সাধারণ লোকেরা এসে তারপর তাকে একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায় এই খবর পেয়ে ছুটে আসে ঠাকুরপুকুর ট্রাফিক গার্ডের পুলিশরা। স্থানীয় হাসপাতাল থেকে তাকে নিয়ে যায় বিদ্যাসাগর হসপিটাল সেখানে তার চিকিৎসা করা হয়। পল্লবের মাথায় ৬ টি সেলাই পড়ে সেই সময় নাক দিয়ে অঝোরে রক্ত পড়েছে। 

আরও পড়ুন, ফের মৃত্যু বাড়ল কলকাতায়, সংক্রমণে ফের দ্বিতীয় উত্তর ২৪ পরগণা

কিছু খাবার খেতে পারছে না পল্লব

পল্লবের পরিবারের লোকেরা খবর পেয়ে সেখানে যায় পল্লবের মা নিজের ছেলের এই রক্তাক্ত পরিস্থিতি দেখে অসুস্থ হয়ে পড়ে তারপর তার সিটি স্ক্যান করানো হয় বিদ্যাসাগর হাসপাতালে আগামীকাল সিটি স্ক্যান রিপোর্ট বের হবে। অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে এখন রয়েছে ,মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা নাকে অসহ্য যন্ত্রণা কিছু খাবার খেতে পারছে না পল্লব।
ছেলের এই পরিণতি দেখে, পল্লবের মা রীতিমতো মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।

 

আরও পড়ুন, চড়তে হবে না ট্রেন, হুশ করে হারিয়ে যেতে ঘুরে আসুন কলকাতার এই ঠিকানায়

 

সিভিক ভলেন্টিয়ারের শাস্তির দাবিতে পরিবার


  পরিবারের বক্তব্য, 'যদি পল্লব অন্যায় করে থাকে সে ক্ষেত্রে তার বাইকের বিরুদ্ধে কেস হতে পারত, টাকা ফাইন করতে পারতো পুলিশ। কিন্তু একটা সিভিক ভলেন্টিয়ার কীভাবে এই  ভাবে তাদের বাড়ির ছেলের মাথায় লাঠি দিয়ে মারল। পরিবারের লোক এই স্থানীয় যুবক অরুণ দত্ত পেশায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের শাস্তির দাবি করছে ।পরিবার  থানায় অভিযোগ করতে গেলে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ ট্রাফিক গার্ড কে দেখাচ্ছে ট্রাফিক গার্ড আবার পুলিশের কাছে পাঠাচ্ছে। এই অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার ঠাকুরপুকুর ট্রাফিক গার্ড কর্তব্যরত। সিভিক ভলেন্টিয়ারের এরকম ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য তার শাস্তির দাবি করছে।

আরও পড়ুন, হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন ঘিরে উন্মাদনা, হিমু চরিত্র নিয়ে রেস্টুরেন্ট ‘হিমু আড্ডা’ আজও সচল