পত্রলেখা বসু চন্দ্র, বর্ধমান: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কি তোলা আদায় করছেন?  পুলিশ সুপারের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। 

অর্থের দাবি তো ছিলই, গত কয়েক দিন ধরে আকর্ষণী উপহার প্রলোভন-সহ ই-মেল পাচ্ছিলেন বর্ধমান শহরে বাসিন্দারা। মেল আসছিল পাঠানো হচ্ছিল খোদ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাইচন্দ্র সাহার তরফে। কী ব্য়াপার? যাঁরা এই ই-মেল পেয়েছেন, তাঁরা রীতিমতো চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন। ১০ জুন ঘটনাটি নজরে আসে বর্ধমান বিশ্ববিদ্য়ালয় কর্তৃপক্ষের। খতিয়ে দেখে বোঝা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নামে তৈরি করা হয়েছে একটি ভুয়ো মেল আইডি। সেই আইডি ব্যবহার করেই চলছে দুষ্কর্ম।  আর দেরি করেননি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সকলে সতর্ক করে একটি বিজ্ঞপ্তি দেন রেজিস্ট্রার  অভিজিৎ মজুমদার। বিজ্ঞপ্তি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়, ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করে কেউ বা কারা এসব কাজ করছে। এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় অথবা উপাচার্যের কোনও সম্পর্কই নেই। এখানেই শেষ নয়, বিশ্ববিদ্য়ালয়ের তরফে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপারের দপ্তরে।

অভিযোগের প্রাপ্তিস্বীকার করেছেন পুলিশ সুপার ভাষ্কর মুখোপাধ্যায়। সাইবার ক্রাইম থানায় ঘটনার তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।  আর বর্ধমান বিশ্ববিদ্য়ালয়ের রেজিস্ট্রার অভিজিৎ মজুমদারের প্রতিক্রিয়া, 'পুলিশ খতিয়ে দেখছে। আশা করি, দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে।' উপাচার্য নিমাইচন্দ্র সাহা নিজে কিন্তু কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছেন।