বনধ সফল করতে পথে নেমেছিলেন তিনি, কিন্তু ফল হল উল্টো। আক্রান্ত হলেন খোদ এসএফআই-এর জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরী। রাস্তায় ফেলে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমান শহরে। 

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার সকালে। বর্ধমান মিউনিসিপাল বয়েজ স্কুলের সামনে হাজির হন বাম কর্মী-সমর্থকরা। জোর করে তাঁরা স্কুলটি বন্ধ করার চেষ্টা করছিলেন বলে অভিযোগ। বনধের সমর্থনে পোস্টারও লাগিয়ে দেওয়া হয় স্কুল চত্বরে। শেষপর্যন্ত কয়েকজন শিক্ষককে যখন স্কুলে ঢুকতে বাধা দেন বনধ সমর্থকরা, তখন আর চুপ করে থাকেননি অভিভাবকরা। প্রতিবাদ করেন তাঁরা, ছিঁড়ে দেওয়া হয় পোস্টারও। আর তাতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে স্কুল চত্বরে।  অভিযোগ, বনধ সমর্থকদের মেরে স্কুলের সামনে থেকে হটিয়ে দেন অভিভাবকরা। রীতিমতো রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় এসএফআই-এর পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরীকেও।  এফআইআই-এর অবশ্য দাবি, অভিভাবকরা নন, সংগঠনের জেলা সম্পাদকের উপর অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।  আর তৃণমূল বলছে, অভিভাবকরা প্রতিরোধ করেছেন।

আরও পড়ুন: বনধ সমর্থকদের তাণ্ডবে রণক্ষেত্র মালদহের সুজাপুর, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁটবৃষ্টি-গাড়িতে আগুন

সত্যি কথা বলতে, বুধবার দিনভরই বর্ধমানে বনধ সফল করতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে বাম-কর্মী সমর্থকরা।  বর্ধমান শহরের বীরহাটা ও পারবীরহাটা এলাকায় মিছিল করে এসে বনধ সমর্থকরা বাস-সহ অন্যন্য যানবাহনে হামলা চালান বলে অভিযোগ। ভাঙচুর চলে বাস, ছোট গাড়ি ও টোটোতেও।  ছাড় পায়নি স্কুলের বাসগুলিও।  জিটি রোডে একটি  পেট্রোল পাম্পেও ভাঙচুর চালান বনধ সমর্থকরা।  ভাতারে আবার বনধ সমর্থকের হামলায় এক লরি চালকও হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।