করোনার মহাসঙ্কটে সমস্যায় পড়েছে গোটা দেশের মানুষ। কাজা হারানো থেকে টাকা উপার্জন সবেতেই বাড়ছে সমস্যা। টাকা জমানোর জন্য ব্যাঙ্ক থেকে পোস্ট অফিসে ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার হ্রাস করা হয়েছে। যার ফলে অনেক বেশি সমস্যায় পড়েছেন প্রবীণ নাগরিকেরা। কারণ একটাই পেনশনই হল তাদের আয়ের উৎস। মহাসঙ্কট পরিস্থিতিতে সকলের জন্য কম বেশি নয়া স্কিম নিয়ে হাজির হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী ভায়া বন্দনা যোজনা তার মধ্যে একটি  আকর্ষণীয় বিকল্প ।

আরও পড়ুন-ক্রপটপ পরলেই উঁকি মারছে কোমরের 'স্ট্রেচ মার্কস', অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকায় গায়েব হবে ফাটা দাগ...


 প্রধানমন্ত্রীর ভায়া বন্দনা যোজনাতে যে কোনও ফিক্সড ডিপোজিট বা পেনশন প্রকল্পের থেকে অনেক বেশি পরিমাণে সুদ পাওয়া যাচ্ছে। যদিও করোনার প্রভাব পড়েছে সরকারি এই স্কিমের উপরও।  সুদের হারও হ্রাস পেয়েছে এই স্কিমে।  ৮ % সুদের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৭.৪ শতাংশে। তবে বার্ষিক পেনশনের ক্ষেত্রে সুদের হার দাঁড়িয়েছে ৭.৬৬ শতাংশ। প্রবীণরা এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে অনেক বেশি সুবিধা পেতে পারেন। প্রতি বছর ১ এপ্রিল, সরকার এই স্কিমটির রিটার্ন পর্যালোচনা করে এবং পরিবর্তন করে। তার ভিত্তিতেই পেনশন মাসিক, ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে নেওয়া হয়।

 

নতুন সংশোধনীর পরে গ্রাহকদের জন্য বেশ কিছু নিয়ম আনা হয়েছে। যেখানে মাসিক ১০০০ টাকা পেনশনের জন্য সর্বনিম্ন ১.৬২ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। ত্রৈমাসিক পেনশনের জন্য ১.৬১ লক্ষ টাকা, ছয় মাসের জন্য ১.৫৯ লাখ , বার্ষিক পেনশনের জন্য সর্বনিম্ন ১.৫৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভায়া বন্দনা যোজনাতে সবথেকে বেশি মাসিক পেনশন হতে পারে ৯২৫০ টাকা। এই সরকারি প্রকল্পের আওতায় যে কোনও বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারবেন। এছাড়াও ২০২১ সালের মধ্যে আপনি যদি এই সরকারি স্কিমে ১৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন তবে ২০৩১ সাল অর্থাৎ ১০ বছরের মধ্যে ৭.৪ শতাংশ হারে রিটার্ন পাবেন। এছাড়াও যদি কোনও বিনিয়োগকারী পলিসির সময়ে মারা যায়, তবে তার নমিনি যিনি থাকবেন তিনি পুরো টাকাটাই  ফেরত পাবেন।