- Home
- Business News
- Other Business
- Budget 2026: কর ব্যবস্থার শেষ অধ্যায়? আসছে বড় বদল, মধ্যবিত্তের কী ফিরবে হাল?
Budget 2026: কর ব্যবস্থার শেষ অধ্যায়? আসছে বড় বদল, মধ্যবিত্তের কী ফিরবে হাল?
মোদী সরকারের ৩.০-এর তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট, যা ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ পেশ করা হবে, বর্তমান আয়কর আইনের অধীনে শেষ বাজেট হতে চলেছে। করদাতারা, বিশেষ করে যারা পুরনো কর ব্যবস্থার অধীনে আছেন, তারা মৌলিক ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি ও ছাড়ের আশা করছেন।

অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা।
Budget 2026: প্রতি বছর, ফেব্রুয়ারি যত এগিয়ে আসে, সারা দেশের লক্ষ লক্ষ কর্মরত এবং মধ্যবিত্ত পরিবার কেবল একটি জিনিসের উপর মনোযোগ দেয়: অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা। মোদী সরকারের ৩.০-এর তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট, যা ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ পেশ করা হবে, কেবল পরিসংখ্যানের হিসাব নয়, বরং একটি নথি যা সাধারণ মানুষের পকেট এবং তার সঞ্চয়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
অর্থমন্ত্রীর থেকে করদাতারা কোন পাঁচটি প্রধান ত্রাণ আশা করতে পারেন
এই বছরের কেন্দ্রীয় বাজেট (২০২৬-২৭) অত্যন্ত বিশেষ এবং ঐতিহাসিক বলে মনে করা হয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হল এটি বর্তমান আয়কর আইনের অধীনে উপস্থাপিত শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট হবে। সরকার ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে প্রায় ৬০ বছরের পুরনো কর আইন প্রতিস্থাপন করে নতুন আয়কর আইন ২০২৫ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে, এই বাজেট কেবল বর্তমান চাহিদা পূরণ করবে না বরং ভবিষ্যতের কর ব্যবস্থার ভিত্তিও স্থাপন করবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এবার অর্থমন্ত্রীর থেকে করদাতারা কোন পাঁচটি প্রধান ত্রাণ আশা করতে পারেন।
পুরনো কর ব্যবস্থার অধীনে থাকা ব্যক্তিদের কষ্ট
গত বছর, ২০২৫ সালের বাজেটে, সরকার "নতুন কর ব্যবস্থা" কে আকর্ষণীয় করে শিরোনামে উঠে এসেছিল। ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত করা এবং মৌলিক ছাড়ের সীমা ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করার মতো সিদ্ধান্ত নতুন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে। তবে, এই চমকের মধ্যে, যারা এখনও "পুরাতন কর ব্যবস্থার" উপর নির্ভর করে তারা প্রতারিত বোধ করেছেন।
শিশুদের শিক্ষা এবং বীমা ব্যয় বিবেচনা
পুরনো ব্যবস্থার অধীনে থাকা করদাতারা পিএফ, গৃহ ঋণ এবং বীমার মাধ্যমে সঞ্চয়ের উপর জোর দেন। তাদের সবচেয়ে বড় দাবি হল মৌলিক ছাড়ের সীমা, যা এখনও ২.৫ লক্ষ টাকায় আটকে আছে, তা বাড়ানো হোক। তদুপরি, ধারা ৮০সি এর অধীনে ১.৫ লক্ষ টাকা ছাড় মুদ্রাস্ফীতির সময়ে অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হচ্ছে। করদাতারা চান শিশুদের শিক্ষা এবং বীমা ব্যয় বিবেচনা করে এই সীমা কমপক্ষে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হোক।
গৃহায়ন এবং চিকিৎসা ব্যয়ের উপর প্রয়োজনীয় ছাড়
মুদ্রাস্ফীতির এই যুগে, বাড়ি কেনা এবং অসুস্থতার চিকিৎসা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। করদাতাদের যুক্তি, কেবল করের স্ল্যাব পরিবর্তন করলেই নয়, প্রয়োজনীয় ব্যয়ের উপর ছাড় থেকেও স্বস্তি আসবে। গৃহঋণের সুদের উপর ২ লক্ষ টাকা ছাড় এখন ক্রমবর্ধমান গৃহস্থালির দামের তুলনায় খুবই কম।
এছাড়াও, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর দাবি, সরকার যদি ভবিষ্যতে 'নতুন কর ব্যবস্থা' তৈরি করতে চায়, তাহলে এতে কিছু নির্দিষ্ট ছাড়ও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। বিশেষ করে, সঞ্চয় এবং বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার জন্য স্বাস্থ্য বীমা এবং গৃহঋণের উপর কর ছাড় নতুন ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
শুধু কর হ্রাস নয়, সরলীকৃত নিয়মও অপেক্ষা করছে
সাধারণ মানুষ কেবল কর হ্রাসের কথা বলছেন না; তিনি ব্যবস্থার ঝামেলা থেকে মুক্তিও চান। প্রায়শই দেখা যায় যে রিটার্ন দাখিল করার পরে, ফেরতের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় অথবা টিডিএস মিলের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
আসন্ন নতুন কর আইন থেকে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হল নিয়মগুলি সরলীকৃত করা হবে। "মূল্যায়ন বছর" ধারণাটি "কর বছর" দিয়ে প্রতিস্থাপন করার কথা বলা হচ্ছে। করদাতারা আশা করছেন যে ২০২৬ সালের বাজেট মূলধন লাভ করের জটিলতাগুলি উন্মোচন করবে। বর্তমানে, শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ড এবং সম্পত্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য, যা বিভ্রান্তি তৈরি করে। মানুষ সকল সম্পদের জন্য একটি অভিন্ন এবং সহজ ব্যবস্থা চায়।

