Crude Oil Price: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ২১ ঘণ্টার শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে, যা বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি ভারতের জন্য একটি বড় সংকট, কারণ তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং এর ফলে অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে।

Crude Oil Price: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর থেকে পাকিস্তানে আলোচনা চলছে। ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা চলছে। তবে, দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। এদিকে, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা গিয়েছে। ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। এটি তেল বাজারের জন্য ভালো খবর নয়, এই খবরে বিশ্ব অর্থনীতি এবং শেয়ার বাজার ধাক্কা খাবে। আলোচনার ব্যর্থতার অর্থ হলো যুদ্ধ আরও তীব্র হবে।

আজ অপরিশোধিত তেলের দাম কত?

ইরানের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে মতবিরোধের পর তেলের দাম আবার বাড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববাজারে WTI অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৯৬.৫৭ ডলারে পৌঁছেছে। একইভাবে, ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৯৫.২০ ডলারে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটা হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।

ভারতের উভয় সংকট-

ভারত তার প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৮৮% আমদানি করে। এই আলোচনা ব্যর্থ হলে হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে, যা ভারতের সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। এই সংকট আরও জটিল হয় কারণ বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বাড়লে ভারতের আমদানি ব্যয়ও বেড়ে যায়। রুবিক্স ডেটা সায়েন্সেসের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০ ডলার বাড়লে ভারতের বার্ষিক তেল আমদানি ব্যয় ১৩-১৪ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পায়। ভারতীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১.৩০ লক্ষ কোটি টাকা বৃদ্ধি পায়।