Crude oil prices: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৬.৫০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা ২০২২ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি এবং ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। 

Crude oil prices: আজ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের ৩২তম দিন। ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালায়। এই ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত রয়েছে। উভয় পক্ষ থেকে গোলাবর্ষণ হচ্ছে। ইরানের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে। এই সবকিছুর মধ্যে, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বেড়েছে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৬.৫০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এটি ২০২২ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ স্তর।

ট্রাম্পের হুমকি প্রভাব ফেলছে-

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে তিনি ইরান থেকে তেল উত্তোলন করতে চান। তিনি আরও বলেন যে মার্কিন সামরিক বাহিনী খার্গ দ্বীপ দখল করতে পারে, যেখান থেকে দেশটির প্রায় ৯০% তেল রপ্তানি করা হয়। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইরানকে ধ্বংস করার হুমকিও দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন যে, যদি ইরান একটি চুক্তিতে না পৌঁছায়, যদি ইরান হরমুজ প্রণালী খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেবে। তাদের বাড়িঘর, বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং তেলকূপ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ট্রাম্পের এই হুমকি অনিশ্চয়তাকে আরও গভীর করেছে, যার ফলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৬ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা-

ইরানের যুদ্ধের এমন প্রভাব পড়েছে যে, শুধু মার্চ মাসেই অপরিশোধিত তেলের দাম ৫০-৬০ শতাংশ বেড়ে গেছে। আক্রমণের জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে, যেখান দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল পরিবহন করা হয়। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।