EPFO Myths: পিএফ অ্যাকাউন্ট নিয়ে এই ৫টি ভুল ধারণা পুষে রেখেছেন? জানুন আসল সত্যিটা
EPFO Myths and Facts: পিএফ অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের জন্য জরুরি খবর। অবসরের বয়স, সুদ এবং পেনশন নিয়ে আপনি যে ৫টি ভুল ধারণা বিশ্বাস করেন, তার পেছনের আসল সত্যিটা জেনে নিন এখানে।
16

Image Credit : Asianet News
চাকরিজীবীদের ভবিষ্যতের অন্যতম ভরসা হল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড (EPF)। অবসরের পর আর্থিক সুরক্ষার জন্য এটি একটি মজবুত কবচের মতো কাজ করে। প্রতি মাসে কর্মীর বেতন এবং সংস্থার তরফে কিছু অংশ এই অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এর ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ মিলে আপনার সঞ্চয়কে বড় অঙ্কের তহবিলে পরিণত করে। কিন্তু EPF-এর নিয়ম নিয়ে অনেকের মধ্যেই ভুল ধারণা রয়েছে। এই ভুল ধারণা বিশ্বাস করে অনেকেই লোকসানের শিকার হন। তাই পিএফ অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত ৫টি প্রচলিত ভুল ধারণা এবং তার পেছনের সত্যিটা জেনে নেওয়া যাক।
26
Image Credit : Gemini
অনেকেই ভাবেন পিএফ-এর নিয়ম অনুযায়ী অবসরের বয়স ৬০ বছর। কিন্তু আসল সত্যিটা হল, EPFO-র নিয়ম অনুযায়ী সরকারিভাবে অবসরের বয়স ৫৮ বছর। যদি আপনি ৫৮ বছরের পরেও চাকরি চালিয়ে যান, তাহলেও আপনার পিএফ অ্যাকাউন্টে নতুন করে টাকা জমা হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। ৫৮ বছরকেই কাট-অফ বয়স হিসেবে ধরা হয়। পেনশনের সুবিধার জন্যও এই বয়সটিই মানা হয়।
36
Image Credit : our own
অনেকেই বিশ্বাস করেন যে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পিএফ অ্যাকাউন্টের টাকায় সুদ আসা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এটা সত্যি নয়। যদি আপনি ৫৮ বছর বয়সে অবসর নেন, তাহলে আপনার অ্যাকাউন্টে থাকা ব্যালেন্সের ওপর আরও তিন বছর (অর্থাৎ ৬১ বছর বয়স পর্যন্ত) সুদ পাওয়া যায়। অবসরের পরেও সীমিত সময়ের জন্য আপনার সঞ্চয়ের ওপর সুদ বাড়তে থাকে। তাই সঙ্গে সঙ্গে টাকা তুলতে না পারলেও চিন্তার কোনও কারণ নেই।
46
Image Credit : Asianet News
আপনি যে বয়সেই অবসর নিন না কেন, তিন বছর সুদ পাবেন—এই ধারণাটি ভুল। যদি আপনি ৫৮ বছরের আগে চাকরি ছেড়ে দেন, তাহলে সুদ পাওয়ার সময়সীমা বদলে যায়। যেমন, আপনি যদি ৪৫ বছর বয়সে অবসর নেন, তাহলে আপনার ৫৮ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত সুদ পেতে থাকবেন। আবার যদি ৫৭ বছর বয়সে অবসর নেন, তাহলে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত সুদ পাবেন। অর্থাৎ, কম বয়সে অবসর নিলে সুদ পাওয়ার সময়কাল বেশি হয়।
56
Image Credit : our own
অনেকেই ভয় পান যে চাকরি বদলালে বা মাঝে গ্যাপ পড়লে পিএফ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়। আসলে, একটানা তিন বছর কোনও টাকা জমা না পড়লে অ্যাকাউন্টটি 'ইন-অপারেটিভ' হয়ে যায়, কিন্তু বন্ধ হয় না। এই ধরনের অ্যাকাউন্ট থেকেও আপনি টাকা ট্রান্সফার বা তুলতে পারবেন। তবে চাকরি বদলানোর সময় জয়েনিং ডেট এবং এক্সিট ডেট যাতে ঠিক থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যে সময়ে কন্ট্রিবিউশন জমা পড়েনি, সেই সময়কালকে পেনশন সার্ভিসের অংশ হিসেবে ধরা হয় না।
66
Image Credit : Gemini AI
অনেকে ভাবেন, পুরোপুরি চাকরি ছাড়ার পরেই পেনশন পাওয়া যায়। কিন্তু এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম (EPS) অনুযায়ী, আপনার বয়স ৫৮ বছর হলেই পেনশন চালু হয়ে যায়। আপনি ওই বয়সের পরেও যদি চাকরি চালিয়ে যান, তাহলেও পেনশন পেতে পারেন। পেনশনের পরিমাণ হিসেব করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফর্মুলা রয়েছে: পেনশন = (পেনশনেবল স্যালারি × পেনশনেবল সার্ভিস) ÷ ৭০। বর্তমানে ন্যূনতম মাসিক পেনশন হল ₹১,০০০। যদিও সংসদীয় কমিটি এটিকে বাড়িয়ে ₹৭,৫০০ করার সুপারিশ করেছে, তবে সরকারের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ভালোভাবে অবসরের পরিকল্পনা করার জন্য এই নিয়মগুলি বোঝা খুব জরুরি। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত আপনার পিএফ পাসবুক চেক করা উচিত। সঠিক তথ্য জেনে নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন।
Business News in Bengali (ব্যবসার খবর): Get latest Business news highlights and live updates about stock market news & Updates, Personal finance tips, Indian economy & Budget News Updates at Asianet News Bangla.
Latest Videos
