- Home
- Business News
- Money Management: মাস শেষ হওয়ার আগেই বেতন শেষ হয়ে যাচ্ছে? এইভাবে কোটিপতি হতে পারবেন কয়েকদিনেই
Money Management: মাস শেষ হওয়ার আগেই বেতন শেষ হয়ে যাচ্ছে? এইভাবে কোটিপতি হতে পারবেন কয়েকদিনেই
Money Management: এই প্রবন্ধে ১০টি কার্যকর মানি ম্যানেজমেন্ট টিপস আলোচনা করা হয়েছে, যা খরচ নিয়ন্ত্রণ, সঞ্চয় বৃদ্ধি, এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে আর্থিক নিরাপত্তা অর্জনে সহায়তা করবে।

Money Management
প্রতি মাসে বেতন আসে, আর কয়েক দিনের মধ্যেই উধাও! ব্যাংক ব্যালেন্স দেখে মন খারাপ হয়? পকেট ফাঁকা, স্বপ্নগুলো থমকে আছে, আর চাপ বাড়ছে? কিন্তু সুখবর হলো—টাকার সমস্যা সবসময় কম আয়ের জন্য নয়, অনেক সময় সঠিক ম্যানেজমেন্টের অভাবেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।
আপনিও যদি ভাবেন, “যতই উপার্জন করি, সঞ্চয় হয় না”—তাহলে এবার বদল আনুন। এখানে থাকছে ১০টি কার্যকর মানি ম্যানেজমেন্ট টিপস, যা মেনে চললে খরচে নিয়ন্ত্রণ আসবে, তৈরি হবে ইমারজেন্সি ফান্ড, কমবে ঋণের চাপ, আর কম্পাউন্ডিং-এর জোরে তৈরি হবে আর্থিক নিরাপত্তা।
Money Management
১. আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখুন
প্রথমেই প্রতি মাসে আপনার মোট আয় ও খরচ লিখে রাখুন। ছোট খরচ—চা, অনলাইন শপিং, সাবস্ক্রিপশন—সবই নোট করুন। এতে বোঝা যাবে টাকা কোথায় বেশি বেরিয়ে যাচ্ছে। চাইলে Money Manager, Walnut বা একটি সাধারণ Excel শিট ব্যবহার করতে পারেন।
Money Management
থাম্ব রুল 50/30/20:
৫০% জরুরি খরচ (ভাড়া, বাজার, বিল),
৩০% ব্যক্তিগত খরচ (ঘোরাঘুরি, শপিং),
২০% সঞ্চয় ও বিনিয়োগ।
Money Management
২. স্পষ্ট আর্থিক লক্ষ্য ঠিক করুন
স্বল্পমেয়াদি (১ বছরের মধ্যে বাইক কেনা), মধ্যমেয়াদি (৩–৫ বছরে বাড়ির ডাউন পেমেন্ট), এবং দীর্ঘমেয়াদি (রিটায়ারমেন্ট) লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। লক্ষ্য অনুযায়ী নির্দিষ্ট অঙ্ক ও সময়সীমা ঠিক করুন। এতে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমে।
Money Management
৩. বাজেট তৈরি ও অনুসরণ করুন
প্রতি মাসের শুরুতেই বাজেট বানান। খরচের প্রতিটি খাতে কত টাকা যাবে, আগে থেকে নির্ধারণ করুন। বাজেট না মানলে নিজেকে রিমাইন্ডার দিন বা পরিবারের কারও সাহায্য নিন।
Money Management
৪. ইমারজেন্সি ফান্ড গড়ে তুলুন
অন্তত ৬–১২ মাসের খরচের সমান অর্থ আলাদা রাখুন (সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা লিকুইড ফান্ডে)। হঠাৎ অসুস্থতা, চাকরি হারানো বা বড় খরচে এই ফান্ড কাজে আসবে। শুরুতে মাসে ৫,০০০–১০,০০০ টাকা জমালেও চলবে।
Money Management
৫. ঋণ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিচালনা করুন
উচ্চ সুদের ঋণ (ক্রেডিট কার্ড, পার্সোনাল লোন) আগে শোধ করুন। EMI যেন আয়ের ৩০–৪০% এর বেশি না হয়। একাধিক ঋণ থাকলে লোন কনসোলিডেশন ভেবে দেখতে পারেন।
Money Management
৬. নিয়মিত সঞ্চয় ও বিনিয়োগ করুন
যত তাড়াতাড়ি বিনিয়োগ শুরু করবেন, তত বেশি কম্পাউন্ডিং-এর সুবিধা পাবেন। SIP-এর মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ড, FD, PPF, NPS বা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারেন। আয়ের অন্তত ১০–২০% বিনিয়োগে রাখার চেষ্টা করুন।
Money Management
৭. বীমা দিয়ে সুরক্ষা নিশ্চিত করুন
লাইফ ইনস্যুরেন্স (টার্ম প্ল্যান), স্বাস্থ্যবিমা ও গাড়ি/বাড়ির বীমা জরুরি। এগুলো অপ্রত্যাশিত ঝুঁকির সময় আর্থিক সুরক্ষা দেয়। পরিবারের উপর নির্ভরশীল সদস্য থাকলে জীবনবিমা অবশ্যই নিন।
Money Management
৮. হঠাৎ খরচ এড়িয়ে চলুন
অনলাইন শপিং-এর যুগে ‘ওয়ান-ক্লিক’ কেনাকাটা খুব সহজ, কিন্তু ক্ষতিকর হতে পারে। বড় কিছু কেনার আগে ২৪–৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—এটা কি সত্যিই দরকার?
Money Management
৯. আর্থিক জ্ঞান বাড়ান
ব্যক্তিগত অর্থব্যবস্থা ও বিনিয়োগ সম্পর্কে শিখতে থাকুন। বই পড়ুন, অনলাইন কোর্স করুন, নির্ভরযোগ্য ব্লগ ও ভিডিও দেখুন। যত বেশি জানবেন, তত ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
Money Management
১০. নিয়মিত রিভিউ ও আপডেট করুন
প্রতি ৬ মাস বা বছরে একবার আপনার আর্থিক পরিকল্পনা খতিয়ে দেখুন। আয়-ব্যয়ের পরিবর্তন, নতুন লক্ষ্য বা জীবনের বড় পরিবর্তন অনুযায়ী পরিকল্পনা আপডেট করুন।
Money Management
সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত সঞ্চয় আর সচেতন খরচ—এই তিনটি অভ্যাসই বদলে দিতে পারে আপনার আর্থিক ভবিষ্যৎ। আজই শুরু করুন, কারণ টাকা রোজগার করা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটাকে সঠিকভাবে
