- Home
- Business News
- LPG Price Hike: ৫০ টাকা বাড়ল সিলিন্ডারের দাম, ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে রান্নার গ্যাস
LPG Price Hike: ৫০ টাকা বাড়ল সিলিন্ডারের দাম, ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে রান্নার গ্যাস
মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি কেজি LPG-র দাম ৫০ পাকিস্তানি রুপি বেড়ে ৫৫০ রুপিতে পৌঁছেছে। অথচ অক্টোবর মাসে পাকিস্তানের সরকারি নির্ধারিত দর ছিল প্রতি কেজি ২৭৯.৩৪ রুপি। অর্থাৎ বাজারে প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে রান্নার গ্যাস।

ইরানকে ঘিরে সরবরাহ সংকটের প্রভাব পড়ছে জ্বালানি বাজারে। পাকিস্তানে LPG-র দাম বৃদ্ধি এবং করাচিতে সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক বেশি দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ সামনে এসেছে। করাচিতে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি কেজি LPG-র দাম ৫০ পাকিস্তানি রুপি বেড়ে ৫৫০ রুপিতে পৌঁছেছে। অথচ অক্টোবর মাসে পাকিস্তানের সরকারি নির্ধারিত দর ছিল প্রতি কেজি ২৭৯.৩৪ রুপি। অর্থাৎ বাজারে প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে রান্নার গ্যাস।

এই মূল্যবৃদ্ধির পিছনে রয়েছে ইরান থেকে LPG সরবরাহে বাধা। গত ১৭ অক্টোবর পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় LPG আমদানি ব্যাহত হয়। ফলে করাচির বাজারে গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, সরবরাহের ঘাটতির সুযোগ নিয়ে LPG বিপণনকারী সংস্থাগুলি ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৪,৫০০ রুপি থেকে বেড়ে ৮,২০০ রুপিতে দাঁড়িয়েছে। এলপিজি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বিপণন কোম্পানিগুলো অত্যন্ত চড়া দামে গ্যাস সরবরাহ করছে, যার ফলে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
পাকিস্তানের সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা OGRA নভেম্বর মাসের জন্য LPG-র দামও বাড়িয়েছে।
অক্টোবরের সরকারি দর (প্রতি কেজি) ২৭৯.৩৪ রুপি
নভেম্বরের সরকারি দর (প্রতি কেজি) ২৯৪.০৭ রুপি
১১.৮ কেজি সিলিন্ডার (অক্টোবর) ৩,২৯৬.২৩ রুপি
১১.৮ কেজি সিলিন্ডার (নভেম্বর) ৩,৪৭০.০৯ রুপি
করাচির বাজারদর (প্রতি কেজি) ৫৫০ রুপি
LPG-র দাম বাড়ায় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে বিক্রেতারাও। স্থানীয় বিক্রেতাদের দাবি, দাম বৃদ্ধির পর তাঁদের ব্যবসায় গ্যাস বিক্রি প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে। যেসব বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস পৌঁছয় না, তাঁদের কাছে LPG ছাড়া বিকল্পও বিশেষ নেই। ফলে বাধ্য হয়েই বেশি দাম দিয়ে রান্নার গ্যাস কিনতে হচ্ছে।
জ্বালানির খরচ বাড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে পরিবহণ, তন্দুরের রুটি এবং বেকারির খাবারের দামে। বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ীদের উৎপাদন খরচ বাড়লে তার বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতাদের উপরেই পড়তে পারে। বাজার বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ইরান থেকে পাকিস্তানে এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত হতে থাকলে এবং সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাঁদের মতে, কঠোর নজরদারি ও নিয়মকানুন প্রয়োগের অভাবের সুযোগ নিয়ে সরবরাহকারী ও বিপণন কোম্পানিগুলো ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে মুনাফা লুটতে পারে, যা ভোক্তাদের সুরক্ষাকে আরও দুর্বল করে তুলবে।