কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে পেট্রোল, ডিজেল ও বিমানের জ্বালানি (ATF) রফতানির কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন হল। পেট্রোল রফতানির উপর উইন্ডফল ট্যাক্স কমিয়ে শূন্য করা হয়েছে। অন্যদিকে, ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রফতানির উপর বাড়ানো হয়েছে শুল্ক। ৩১ অক্টোবর থেকে আগামী ১৫ দিনের জন্য কার্যকর হয়েছে নতুন নিয়ম।

কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন সিদ্ধান্তে পেট্রোল, ডিজেল ও বিমানের জ্বালানি (ATF) রফতানির কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন হল। পেট্রোল রফতানির উপর উইন্ডফল ট্যাক্স কমিয়ে শূন্য করা হয়েছে। অন্যদিকে, ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রফতানির উপর বাড়ানো হয়েছে শুল্ক। ৩১ অক্টোবর থেকে আগামী ১৫ দিনের জন্য কার্যকর হয়েছে নতুন নিয়ম। অর্থ মন্ত্রকের ৩১ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পেট্রোল রফতানির উপর স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি (SAED) লিটার প্রতি ২.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে শূন্য করা হয়েছে। অর্থাৎ, এবার থেকে পেট্রোল রফতানিতে এই কর দিতে হবে না। অন্যদিকে, ডিজেল রফতানির ক্ষেত্রে কর বাড়িয়েছে কেন্দ্র। আগে প্রতি লিটারে SAED এবং রোড অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেস মিলিয়ে মোট ৮.৫০ টাকা কর দিতে হত। এবার তা বাড়িয়ে ১১.৫০ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি লিটার ডিজেল রফতানিতে অতিরিক্ত ৩ টাকা কর দিতে হবে।

বিমান জ্বালানিতেও বাড়ল শুল্ক

বিমানের জ্বালানি বা অ্যাভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (ATF) রফতানির ক্ষেত্রেও কর বাড়ানো হয়েছে। আগে প্রতি লিটারে ১০.৫০ টাকা SAED দিতে হত। এবার তা বাড়িয়ে ১১ টাকা করা হয়েছে।

পেট্রোল-ডিজেলের দাম কি বাড়বে?

এই সিদ্ধান্তের পর সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কি বাড়তে চলেছে? অর্থ মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ব্যবহারের জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের উপর বিদ্যমান শুল্কের হারে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। নতুন করের পরিবর্তন শুধুমাত্র রফতানির ক্ষেত্রে কার্যকর। তাই এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি পেট্রোল পাম্পে জ্বালানির দাম বাড়ছে, এমনটা বলা যাচ্ছে না।

কেন এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের?

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এবং জ্বালানির বাজারে ওঠানামার উপর নির্ভর করে কেন্দ্র প্রতি ১৫ দিন অন্তর এই করের হার পর্যালোচনা করে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে রফতানির মাধ্যমে দেশীয় রিফাইনারি সংস্থাগুলির অতিরিক্ত মুনাফা হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে উইন্ডফল ট্যাক্সের মাধ্যমে অতিরিক্ত লাভের উপর কর বসায় কেন্দ্র। এর অন্যতম উদ্দেশ্য দেশের বাজারে জ্বালানির পর্যাপ্ত জোগান বজায় রাখা।