লকডাউনের জেরে সকলেই ঘরবন্দি। ইতিমধ্যেই গোটা দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গেছে  তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন।  আর এই লকডাউন চলাকালীন  সাধারণ মানুষের  নগদ টাকা নিয়ে যেন কোন সমস্যা না হয়,  সেই কারণে একাধিক ব্যাঙ্কের তরফ থেকে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে চার্জ না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে এই সঙ্কটের সময়ে কোন অসুবিধায় পড়তে না হয়।

আরও পড়ুন-দ্বিগুন উত্তেজনা বাড়াতে এই বিশেষ কাজ চরম তৃপ্তি দেয় মেয়েদের, জানাল সমীক্ষা...

যারা ক্রেডিট কার্ড থেকে লেনদেন করছেন, তাদের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় জেনে রাখা দরকার। সেবি বা সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার যতটা কম করা যায় ততটাই ভাল। কারণ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে গ্রাহকদের  বেশি মাত্রার সুদ দিতে হবে। এই অবস্থার মধ্যে কোনও গ্রাহক যদি ঠিকমতো  সুদ দিতে না পারেন তখন নানা সমস্যার মধ্যেও পড়তে হতে পারে গ্রাহককে।

আরও পড়ুন-দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯ হাজার ছাড়াল, মোবাইলে আরোগ্য সেতু না থাকলেই এবার শাস্তি...

আরও পড়ুন-Coronavirus LIVE, দেশে আক্রান্ত ৫৪৮ জন চিকিৎসক, ১,৬১০ কোটি টাকার ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা কর্ণাটক সরকারের...

আরও পড়ুন-করোনার থাবায় বন্ধ বাঘাযতীনের এক নার্সিংহোম, স্যানিটাইজেশনে বাঘাযতীন হাসপাতাল...

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি অবশ্যই মাথায় রাখতেই হবে। যেমন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে  এটিএম থেকে টাকা তুলতে গেলে প্রায় ২.৫-৩ শতাংশ সুদ বেশি দিতে হবে। যা ক্রেডিট কার্ড থেকে তোলা টাকার সঙ্গে ফেরত দিতে হয়। আর এই সুদের হার অনেকটাই বেশি। এর পাশপাশি অতিরিক্ত আরও কিছু চার্জও যোগ হয়। টাকা তোলার দিন থেকে গ্রাহকদের উপরে চাপতে থাকে সুদের হারও। তবে ক্রেডিট কার্ডের ক্ষেত্রে টাকা তোলা মূলত ক্রেডিট লিমিটের উপরে নির্ভর করে। একাধিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যেমন অনেকাংশে ভাল তেমন আবার সমস্যাদায়ক। তাই যারা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এই লেনদেন করছেন। তারা অবশ্যই সমস্ত নিয়ম মাথায় রেখে তবেই ব্যবহার করুন।