- Home
- Business News
- রিটায়ারমেন্টের পরেও ১ লক্ষ টাকা করে পাবেন! সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য এল দুর্দান্ত স্কিম, কবে থেকে পাবেন?
রিটায়ারমেন্টের পরেও ১ লক্ষ টাকা করে পাবেন! সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য এল দুর্দান্ত স্কিম, কবে থেকে পাবেন?
অবসর গ্রহণের পর, প্রতি মাসে প্রায় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাবেন। সিনিয়র সিটিজেনদের এই স্কিমে নাম লেখাবেন কীভাবে?

অবসর নেওয়ার পর অনেকেই চিন্তায় থাকেন নিয়মিত আয়ের উৎস নিয়ে। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর স্থির আয় না থাকলে দৈনন্দিন খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কেন্দ্র সরকারের কয়েকটি সেভিংস স্কিমে সঠিকভাবে বিনিয়োগ করলে সিনিয়র সিটিজেনরা প্রতি মাসে প্রায় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
এই স্কিমগুলিতে সুদের হার তুলনামূলক বেশি এবং ঝুঁকি কম হওয়ায় অনেক অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এগুলিকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বেছে নেন। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম (Senior Citizen Savings Scheme – SCSS)
সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য এটি অন্যতম জনপ্রিয় সরকারি স্কিম। বর্তমানে এই স্কিমে প্রায় ৮.২ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হয়। এখানে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা রাখলে প্রতি তিন মাস অন্তর সুদের টাকা পাওয়া যায়। অবসরপ্রাপ্তদের জন্য এটি একটি নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের বিকল্প।
পোস্ট অফিস মাসিক আয় স্কিম (Post Office Monthly Income Scheme – POMIS) পোস্ট অফিসের এই স্কিমে এককালীন টাকা জমা রাখলে প্রতি মাসে সুদের মাধ্যমে আয় করা যায়। বর্তমানে এই স্কিমে প্রায় ৭.৪ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হয়। যারা নিয়মিত মাসিক আয় চান, তাদের কাছে এই স্কিম বেশ জনপ্রিয়।
আরবিআই ফ্লোটিং রেট সেভিংস বন্ড
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই বন্ডেও বিনিয়োগকারীরা ভালো রিটার্ন পেতে পারেন। এই বন্ডে সুদের হার সময় অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে, তবে বর্তমানে প্রায় ৮ শতাংশের কাছাকাছি সুদ পাওয়া যায়। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে অনেকেই এই বন্ডে টাকা রাখেন।
কত বিনিয়োগ করলে মাসে ১ লক্ষ টাকা আয়?
বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, বিভিন্ন সরকারি স্কিমে মিলিয়ে প্রায় ১.৫ কোটি টাকার মতো বিনিয়োগ করলে বছরে প্রায় ১২ লক্ষ টাকার মতো সুদ পাওয়া সম্ভব। অর্থাৎ মাসে প্রায় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করা যেতে পারে।
বিনিয়োগের আগে কী মাথায় রাখবেন-
বিনিয়োগ করার আগে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা জরুরি—
সব টাকা এক স্কিমে না রেখে বিভিন্ন স্কিমে ভাগ করে বিনিয়োগ করা ভাল। সুদের হার ভবিষ্যতে পরিবর্তিত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়তে পারে