নেতাজির জন্মদিন পালন করতে স্কুলে এসেছিল দু'জন ছাত্রী। স্কুলে ঢুকে তাদের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করল এক বিএসএফ জওয়ান! অভিযোগ তেমনই। ঘটনায় তুমুল উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে। অভিযুক্তদের দীর্ঘক্ষণ স্কুলে আটকে রাখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের সামনে চলে মারধরও।

পঠনপাঠন বন্ধ ছিল, তবে নেতাজির জন্মদিন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে ছিল স্কুলে। সকাল সকাল মেখলিগঞ্জের খড়খড়িয়া এপি বিদ্যালয়ের চলে আসে দু'জন ছাত্রী। তখনও অন্য পড়ুয়া ও শিক্ষিক-শিক্ষিকা পৌঁছননি। রীতিমতো বন্দুক নিয়ে এক বিএসএফ জওয়ান সটান স্কুলের ভিতর ঢোকে পড়ে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বন্দুক দেখিয়ে সে ওই দুই ছাত্রীর শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা করে! তেমনই দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, বিপদ বুঝে কোনওরকমে স্কুল থেকে পালিয়ে যায় একজন ছাত্রী এবং সে বাড়ি গিয়ে গোটা ঘটনাটি বাড়িতে জানায়। এরপরই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: জিলেটিন স্টিক নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণ, হাতের আঙুল উড়ল বালকের

মেখলিগঞ্জের খড়খড়িয়া এপি বিদ্যালয়ের সামনে জড়ো হন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ। অভিযুক্ত বিএসএফ জওয়ানকে আটকে রাখা হয় স্কুলের একটি ঘরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খায় পুলিশ। অভিযুক্তকে যখন স্কুল থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছিলেন পুলিশকর্মীরা, তখনও তাকে বিক্ষোভকারীরা বেধড়ক মারধর করেন বলে জানা দিয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। 

উল্লেখ্য, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব খুব বেশি নয়। সীমান্ত লাগোয়া এই এলাকায় সারাবছর মোতায়েন থাকেন বিএসএফ জওয়ানরা। মেখলিগঞ্জের খড়খড়িয়া এপি বিদ্যালয়ের কাছেও বিএসএফ-র একটি ক্যাম্প আছে বলে জানা দিয়েছে।