এমনটা যে হবে, তা জানাই ছিল। আচার্য তথা রাজ্যপালকে ছাড়াই সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়ে গেল কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়ুয়াদের হাতে পদক ও সার্টিফিকেট তুলে দিলেন উপাচার্য দেবকুমার মুখোপাধ্যায়। তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, আচার্যের তরফে যদি নিয়ম মেনে শোকজের চিঠি পাঠানো হয়, তাহলে উত্তর দেবেন। তাহলে কি নিয়ম মেনে তাঁকে শোকজ করা  হয়নি? বিতর্ক উস্কে দিলেন পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বয়ং।

 

কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে আমন্ত্রিত ছিলেন গৌতম দেব, উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও  বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন। অনুষ্ঠান মঞ্চে হাজিরও ছিলেন তাঁরা। কিন্তু আমন্ত্রণ জানানো হয়নি খোদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে।  ঘটনায় টুইট করে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, 'আমরা কোন পথে এগিয়ে চলেছি!'

 

 

স্রেফ ক্ষোভ প্রকাশ করেই থেমে থাকেননি আচার্য জগদীপ ধনখড়। বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ সমাবর্তনে আগের দিন কোচবিহারে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেবকুমার মুখোপাধ্যায়কে শোকজও করেছেন তিনি। সমাবর্তনে কেন আচার্যকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি? তাঁর আইনি ব্যাখ্যাও চেয়েছিলেন জগদীপ ধনখড়। এমনকী, প্রোটোকল ভাঙায় উপাচার্যকে অপসারণের দাবিও তুলেছেন তিনি।

 

এসবের মাঝেই শুক্রবার নির্বিঘ্নেই মিটল কোচবিহারের পঞ্চানন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান। ৩৯ জন পড়ুয়াকে স্বর্ণপদক এবং ৪৪ জনের হাতে রূপোর পদক তুলে দিলেন উপাচার্য। পঞ্চানন বর্মা স্মৃতি স্মারক পুরস্কার পেলেন প্রাক্তন সাংসদ প্রসেনজিৎ বর্মন।