দিল্লিতে বুধবার এক সরকারি ডাক্তারের দেহেই মিলেছিল করোনাভাইরাসআক্রান্ত তাঁর স্ত্রী-কন্যাওডাক্তারের সংস্পর্শে আসা ৮০০ জনকে কোয়ারেন্টাইন করা হলরাজধানীর আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৬-এ 

বুধবার করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে রাজধানী দিল্লিতে বিপদ আরও বেড়েছে। উত্তর দিল্লির মৌজপুরে সরকারি মহল্লা ক্লিনিকের এক ডাক্তারের দেহেই করোনাভাইরাসের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। তার স্ত্রী এবং কন্যার পরীক্ষার ফলও ইতিবাচক এসেছে। এরপরই গত ১২ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে তাঁর কাছে আসা রোগী থেকে শুরু করে আর যাঁরা যাঁরা তাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, সেই ৮০০ মানুষকে আগামী ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হল বলে জানিয়েছেন, দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। এই ডাক্তার পরিবারের মামলাটি ধরা পড়ায় সব মিলিয়ে রাজধানীর আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৬-এ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গোপাল ঝা নামে ওই ডাক্তারের কোনও বিদেশে ভ্রমণের ইতিহাস না থাকা নিয়ে বুধবার দিল্লিতে বেশ সোরগোল পড়ে গিয়েছিল। পরে জানা গিয়েছে, ডাক্তার গোপাল ঝা ও আরও চারজনের দেহে করোনাভাইরাস, সৌদি আরব থেকে ফেরা এক কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর থেকেই সংক্রামিত হয়েছে। বুধবার, গত ১২ থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে ওি ডাক্তারের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কারোর শরীরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কোনও লক্ষণ দেখতে পেলে জানাতে বলেছিলেন শাহদারার জেলাশাসক। কিন্তু, বৃহস্পতিবার ঝুঁকি না নিয়ে ৮০০ জনকেই ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হল।

দিল্লির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তারা জানিয়েছেন, মৌজপুরের ওই মহল্লা ক্লিনিকটি আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। ক্লিনিকটিকে স্বাস্থ্যকর্মীরা স্যানিটাইজ করছেন। সেখানে ভাইরাসের যাতে আর নামগন্ধ না থাকে তার ব্যবস্থা করছেন। এই ডাক্তারের পরিবার নিয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দিল্লিতে আরও নতুন ৬জন কোভিড-১৯ আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে।

দিল্লিতে অবশ্য সংক্রমণের ভয়ের পাশাপাশি বুধবার বেড়েছিল নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহের অভাবের আশঙ্কাও। ২১ দিনের লকডাউনের প্রথম দিন-ই সব্দি বাজারে হামলা থেকে, পণ্য সরববরাহ কর্মীদের নাকাল করার একাধিক ঘটনার খবর এসেছিল দিল্লির বিভিন্ন জায়গা থেকে। বৃহস্পতিবার দোষী হিসাবে চিহ্নিত বেশ কয়েকজন কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।