বর্তমানে করোনা সংক্রমণের পাশাপাশি যে বিষয়টা সব থেরে বেশি প্রশাসনকে ভাবিয়ে তুলেছেতা হল কালোবাজারি। অক্সিজেন থেকে শুরু করে ওষুধ, ব্ল্যাকে বিকোচ্ছে হাজার হাজার টাকায়। সাধারণের হাতের নাগালেন বাইরে তাই হয়ে যাচ্ছে পরিস্থিতি। রীতিমত নিলামে উঠছে সাধারণ মানুষের জীবন। এই ভয়ানক পরিস্থিতিতে দুর্নীতি রুখতে মরিয়া পুলিশ-প্রশাসন। এবার দিল্লি পুলিশের চিরুনি  তল্লাশিতে ধরা পড়ল নয়া গ্যাং। 

আরও পড়ুন- 'নিশ্চিন্ত থাকুন মমতাদিদি' - কোভিড যুদ্ধে কীভাবে বাংলার পাশে মোদী সরকার, দেখুন 

 

 

দিল্লির খান চাচা রেস্তোরা থেকে উদ্ধার হয় অক্সিজেন  কনসেনট্রেটর। খান মার্কেটের এই রেস্টোরাতেই মজুত ছিল ৯৬ টি কনসেনট্রেটর, খবর পাওয়া মাত্রই সেখানে তল্লাশিচালায় পুলিশ। বর্তমানে আটক করা হয়েছে ম্যাট্রিক্স সেলুলার সার্ভিস লিমিটেডের কর্ণধার গৌরভ খান্নাকে।

 

 

পুলিশের এই তল্লাশিতে উঠে আসে  আরও এক নাম। দিল্লিতে বন্ধ রেস্তোরাগুলোতে রেড করে পুলিশ এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করেছে ৫২৪ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর। এই রেস্তোরাগুলির মালিকানায় উঠে এলো পেজ থ্রি ব্যবসায়ী নাভনীত কারলার নাম।

 

 

সংকটের সময় এই কসেট্রেটরগুলো বিক্রি করা হত চরা দামে। ৭১ হাজার টাকার বিনিময় মানুষকে এই কঠিন সময় কিনতে হচ্ছিল প্রাণ। এই কালোবাজারি রুখতেই বর্তমানে তৎপর পুলিশ। শীঘ্রই নভনীতকে ডেকে পাঠানো হবে নভনীতকে।