বদলে গেল ভারতে নভেল করোনাভাইরাস পরীক্ষার কৌশল। সংক্রামিত মানুষের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। এই অবস্থায় ভারতে জনসংখ্যার নিরিখে টেস্টিং খুব কম হচ্ছে বলে প্রবল সমালোচনা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে  বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ জানিয়েছে তারা কোভিড-১৯ রোগীদের পরীক্ষার কৌশলে আমূল বদলে ফেলছে। নতুন কৌশলে এখন করোনা হটস্পট এলাকায় উপস্থিত লোকেরা, আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসুন না আসুন, যদি কমপক্ষে এক সপ্তাহ ধরে কোভিড-১৯ রোগের উপসর্গ দেখা যায়, তাহলেই তাদের পরীক্ষা করা হবে।

গত দিন ২০ ধরে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরীক্ষা হচ্ছিল শুধুমাত্র পাঁচ ধরণের ব্যক্তিদের। শেষ ১৪ দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ করেছেন যাঁরা, পরীক্ষাগারের নিশ্চিত হওয়া রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ আছে এবং রোগের উপসর্গ আছে যাদের, রোগের উপসর্গ থাকা স্বাস্থ্য পরিষেবা কর্মীদের, তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্য়া থাকা রোগীদের এবং নিশ্চিত হওয়া রোগীদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রয়েছে এমন যাদের সমক্রমণের উচ্চ-ঝুঁকি রয়েছে।

দিন চাররেক আগে ঠিক হয়েছিল হটস্পট এলাকায় রোগের লক্ষণ থাকা ব্যক্তিদের ধরে ধরে অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হবে। কিন্তু, এদিন আইসিএমআর কৌশলটি সংশোধন করে বলেছে, হটস্পট অঞ্চলে সাত দিনের অসুস্থতার সঙ্গে জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা এবং সর্দি থাকা রোগীদের আরটি-পিসিআর (করোনাভাইরাস নিশ্চিত করার পরীক্ষা) ব্যবহার করে পরীক্ষা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।


লকডাউনে পুলিশ হল ডাক্তার, এমার্জেন্সি রেসপন্স ভ্যানেই জন্ম নিল ফুটফুটে একরত্তি

২ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষের সমাবেশ, ভারতের পর পাকিস্তান-কে ডোবালো তাবলিগি জামাত

গাছ থেকেও ছড়াচ্ছে করোনা, কাশ্মীরে কাটা পড়ছে শ'য়ে শ'য়ে রুশ মহিলা পপলার

বার-বার করেই সংক্রমণ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন পরীক্ষার গুরুত্বের কথা। তাঁদের মতে, শুধু লকডাউন করোনা মোকাবিলায় যতেষ্ট নয়, সেই সঙ্গে যত বেশি সম্ভব পরীক্ষা করে রোগীদের চিহ্নিত করে আলাদা করতে হবে। এই পথে দারুণ সাফল্য পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। ১৩০ কোটি বাসিন্দার ভারতে আইসিএমআর-এর হিসাব মতো ৮এপ্রিল পর্যন্ত টেস্ট হয়েছে মাত্র  ১.২৭ লক্ষের।