স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্যে মঙ্গলবার দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৩০০জনেরও বেশি মানুষের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম দফায় যে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন তা আজই শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে না আসায় লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে তেশরা মে  পর্যন্ত করে দেওয়া হয়েছে। আর এদিনই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি সোশ্যাল মিডিয়ায় করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গণপরীক্ষার কথা বলেন। পাশাপাশি তুলে ধরেন ভারতের ব্যর্থতার ছবিও।

রাহুল গান্ধি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় এক মাত্র পথই হল গণ পরীক্ষা। কিন্তু সেই জায়গাতে এখনও পৌঁছাতে পারেনি ভারত।  নমুনা পরীক্ষায় রীতিমত পিছনে রয়েছে ভারত। নমুনা পরীক্ষার হার প্রতি ১০ লক্ষ মানুষের মধ্যে মাত্র ১৪৯। যা সংখ্যার বিচারে লাওস, নিগার ও হন্ডুরাসের মত পিছিয়ে পড়া দেশগুলির থেকেও অনেকটাই নিচে। করোনাভাইরাস নমুনা পরীক্ষার কিট কিনতেই অনেকটা দেরী করে ফেলেছে ভারত। তাই এই পরিস্থিতি বলেও কংগ্রেস নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 
 
ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল কাউন্সিল অব রিসার্চের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ভারতে চিকিৎসক স্বাস্থ্য কর্মী ও জরুরী পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি রাত সোমবার রাত ৯টা পর্যন্ত আইসিএমআর ২ লক্ষ মানুষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছে বলেও জানান হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ জরুরী পণ্য পরিষেবা চালু রাখতে রো-রো সার্ভিস , ভিডিও ট্যুইট করে জানালেন রেলমন্ত্রী
আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলায় জরুরী পরিষেবা প্রদানকারীদের ধন্যবাদ মায়ের, আর ছেলে চাইলেন স্মার্ট লকডাউন
আরও পড়ুনঃ 'ডেনমার্কের রাজকুমার ছাড়াই হ্যামলেট', ত্রাণের জন্য সওয়াল করে লকডাউন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা কং
তবে বিশেষজ্ঞরা আগেই জানিয়েছেন ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় যাথাযথ ব্যবস্থা না নিলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে দিল্লি, মুম্বইয়ের মত এলাকাগুলিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে বলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারছে না বলেই অভিযোগ করেছেন রাহুল গান্ধি সহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা।