দেখলেই জিভে জল এসে আসার জোগাড়। পুলিস স্টেশনে হাঁড়ির ভিতরে বাজেয়াপ্ত অবস্থায় রাখা রসগোল্লাগুলো। একটা, দুটো নয় একবারে কুড়ি কিলো রসগোল্লা! উত্তরপ্রদেশের পুলিশ এই রসগোল্লাগুলো বাজেয়াপ্ত করেছে। কিন্তু কেন? তার আগে বলে দেওয়া যাক, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল সহ দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন, ভোট গণনা চলছিল উত্তর প্রদেশের পঞ্চায়েত নির্বাচনেরও। আর যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের ভোট গণনা আর রসগোল্লা বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা দুটো মিলে গেল।

আরও পড়ুন: করোনায় প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজিত সিং, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

আসলে যোগী রাজ্যের হাপুরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ের আনন্দে পার্টির কর্মী-সমর্থকরা বিজয় উৎসব শুরু করেন। নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল, কোনওভাবেই বিজয় উৎসব করা যাবে না। কিন্তু কমিশনের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বের হয়েছিল বিজয় উৎসব। বিজয় উৎসবে রঙয়ের সঙ্গে ছিল রসগোল্লাও। জয়ের আনন্দে সবাইকে মিষ্টি খাওয়ানো হচ্ছিল। রসগোল্লা খেতে রীতিমত ভিড় হয়ে গিয়েছিল। পুলিশ সেই বিজয় উৎসবে হানা দিয়ে রসগোল্লাগুলোকে বাজেয়াপ্ত করে। পাশাপাশি কোভিড প্রোটোকোল ভাঙায় এই ঘটনায় দু'জন ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করা হয়। 

আরও পড়ুন: সংক্রমণ আবারও ছাড়ালো চার লক্ষের মাত্রা

হাপুর পুলিশ টুইটারে জানায়, করোনা অতিমারি নিয়ে প্রশাসনের গাইডলাইনভঙ্গ করে ভোটের বিজয় উৎসবে ভিড়ের মধ্যে কয়েকজন রসগোল্লা দিচ্ছিলেন। এই ঘটনার জন্য বিজয় মিছিল থেকে উদ্ধার ২০ কেজি রসগোল্লা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দু জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।"

ক দিন আগেই বাংলা জুড়ে তৃণমূলে জয়ের পর কোভিড বিধি ভেঙে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দিদির দলের কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মাততে দেখা গিয়েছে। একই ছবি ধরা পড়েছে তামিলনাডুতেও। যদিও অভিযোগ আসার পর প্রশাসনিক তৎপরতায় বেশ কিছু জায়গায় বিজয় মিছিল, মানষের সমাগম বন্ধ করা গিয়েছিল।