মুখ্যমন্ত্রী যেদিন রাজ্যে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন, সেদিনই হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন শিশু-সহ তিনজন। করোনা চিকিৎসায় এবার সাফল্যের নজির উত্তরবঙ্গেও।

আরও পড়ুন: বাংলায় লকডাউন ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা সতর্কতায় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন চলবে গোটা দেশে। তারপর কি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে? শনিবার দিল্লি থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বেশিরভাগ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই লকডাউনের সময়সীমা অন্তত আরও দুই সপ্তাহ বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর আবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘোষণা করেছেন, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন চলবে রাজ্যে। ১০ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সমস্ত স্কুল ও কলেজ। এই যখন পরিস্থিতি, ঠিক তখনই এল সুখবর। 

আরও পড়ুন: কমপ্লিট লকডাউন হচ্ছে না, রাজ্য়ে হটস্পট-এর বদলে 'মাইক্রো প্ল্যানিং'

আরও পড়ুন: লকডাউনে ত্রাতা কলকাতা পুলিশ, পড়ুয়ার আবেদনে সাড়া দিলেন খোদ সিপি অনুজ শর্মা

সপ্তাহ দুয়েক আগে কালিম্পং-এ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান এক মহিলা। এরপর মৃতার পরিবারের ১১ জন সদস্যকে আনা হয় শিলিগুড়িতে, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সকলকেই পরে স্থানান্তরিত করা হয় মাটিগাড়ার একটি নার্সিংহোমে। ১১ জনের মধ্যে ১০ জনেরই করোনা পজিটিভি রিপোর্ট আসে। শনিবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন শিশু-সহ তিনজন। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান দীপাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  উত্তরবঙ্গে 'এখনও পর্যন্ত কোভিড-১৯ বা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ জন। তিনজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেন, এটা অত্যন্ত খুশির খবর।'

উল্লেখ্য, এ রাজ্যে প্রথম করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল কলকাতায়। ইংল্যান্ড থেকে ফেরার পর সংক্রমণ ধরা পড়ে পদস্থ এক আমলার ছেলের। সংক্রমিত হন বালিগঞ্জের এক ব্যবসায়ীর ছেলে ও উত্তর ২৪ পরগার হাবড়ার স্কটল্যান্ড ফেরত এক তরুণী। তিনজনেই ভর্তি হন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। সেরে উঠেছেন তাঁরাও।