মুর্শিদাবাদে  মধ্যে নজির সৃষ্টি করে করোনা মোকাবিলায় শামিল হল একদল কন্যাশ্রী যোদ্ধা। রীতিমতো সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়ে  সাধারণ মানুষের জন্য তাঁরা মাস্ক তৈরি করে তুলে দিচ্ছেন প্রশাসনিক আধিকারিকদের হাতে। আবার কখনও পাড়ায় পড়ায় ঘুরে করোনা নিয়ে সচেতনতার পাঠও দিচ্ছেন দিব্যি।

আরও পড়ুন, শুধু কলকাতেই কোভিডে মৃত্যু ৪ হাজারেরও উপরে, পুরসভার কাজে নজরদারিতে কমিটি গড়ল নবান্ন 

 

 

 হরিহরপাড়ার কন্যাশ্রীরা ইতিমধ্যেই কয়েকশো মাস্ক তৈরি করে ব্লক প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে বলে জানায় এলাকার এক কন্যাশ্রী যোদ্ধা শামীমা মন্ডল । সে বলে,' স্কুল বন্ধ এরমধ্যে বাড়িতে চুপচাপ বসে না থেকে আমরা এলাকার কন্যাশ্রী যোদ্ধারা সিদ্ধান্ত নিয়ে সাধারণ মানুষের তথা সমাজের কাজে আসতে মাস্ক বানিয়ে তুলে দিব প্রশাসনের হাতে"। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিহরপাড়া ব্লকে নাবালিকাদের বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বরাবরই রয়েছে। কিন্তু এই কন্যাশ্রী যোদ্ধাদের জন্য অনেক নাবালিকার বিয়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রায় শতাধিক নাবালিকার বিয়ে তাঁরা বন্ধ করেছেন বলে কন্যাশ্রী যোদ্ধাদের দাবি। হরিহরপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল হালিম বলেন, এখানকার কন্যাশ্রীরা বরাবরই ভালো কাজ করেন। স্কুলছুটদেরও তাঁরা শিক্ষার আঙিনায় ফিরিয়ে এনেছেন"।কন্যাশ্রী প্রকল্পের জেলা আধিকারিক শুভদীপ গোস্বামী বলেন, কন্যাশ্রী যোদ্ধারা খুব ভালো কাজ করেছেন। তাঁরা এখনও পর্যন্ত কয়েকশো কাপড়ের কাপড়ের মাস্ক তৈরি করেছেন। এটা অন্যদের অনুপ্রেরণা জোগাবে"। 

আরও পড়ুন, 'আমরা অভিভূত', কোভিডে আনাজ-ওষুধের ডাক পড়লেই হাজির চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট-ইঞ্জিনিয়ার 

 

 

কন্যাশ্রীরা বলেন, তাঁদের তৈরি মাস্কের উপর 'সতর্ক থাকুন, ভালো থাকুন' জাতীয় সতর্ক বার্তাও লেখা থাকছে। মূলত নীল কাপড় দিয়েই তাঁরা মাস্ক তৈরি করছেন। সেসব তৈরির খরচ অবশ্য ব্লক প্রশাসন থেকে দেওয়ার কথা রয়েছে। হরিহারপাড়া ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক   বলেন, আমাদের এখানকার কন্যাশ্রী যোদ্ধারা জেলা তথা রাজ্যবাসীর কাছে রোল মডেল হিসেবে উঠে আসবে আগামী দিনে নিশ্চিত। আমরা ওদের কাজকে কুর্নিশ জানাই"।