এ রাজ্যে সমস্ত কল-কারখানা ও অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে সরকার। রাস্তায় বেরলেও যখন সাধারণ মানুষের উপর লাঠিচার্জ করছে পুলিশ, তখন গ্লাস কারখানায় কাজ চলছে পুরোদমে! লকডাউন চলাকালীন করোনা আতঙ্ক ছড়াল হুগলির রিষড়ায়। এই নিয়ে অবশ্য প্রকাশ্যে মুখ খুলতে রাজি নন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন: ঢোল পিটিয়ে সাবধান করা হচ্ছে গ্রামকে, বাঁশের দিয়ে তৈরি ব্য়ারিকেড, এক অচেনা টুসুর দেশ

করোনার হাত থেকে বাঁচতে জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বন্ধ ট্রেন বাস. সুনশান রাস্তাঘাট। লকডাউন চলছে রাজ্যজুড়ে। যাঁরা এখনও রাস্তা বেরোচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। কোথাও লাঠিচার্জ করা হচ্ছে, তো কোথাও আবার কান ধরে উঠবোস করতে হচ্ছে আইনভঙ্গকারীদের। এই যখন পরিস্থিতি, তখনও ছুটি পাননি শ্রমিকরা। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা হুগলি রিষড়ার একটি গ্লাস কারখানায় কাজ করছেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ওই গ্লাস কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের সংখ্যা সাড়ে সাতশো। অনেকে আবার বাইরে থেকে এসেছেন।  ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন: ঘাড়ে হামলে পড়লো বলে করোনাভাইরাস, অথচ সুরক্ষার বালাই নেই রেলের ওয়ার্কশপে

করোনা আতঙ্কে এখন তো রাজ্যের সাতজনের বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ। তাহলে এতজন শ্রমিক একসঙ্গে কারখানায় কাজ করছেন কী করে? প্রকাশ্যে  মুখ খুলতে চাইছেন না কেউ। তবে এই ঘটনা যে আইনবিরুদ্ধ, তা মানছেন সকলেই। শ্রমিকরা কী স্বেচ্ছায় কাজ করছেন নাকি তাঁদের কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে? তা জানা যায়নি।