Jalpaiguri News: ভোটের আবহে অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির এবার এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে উঠল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। ঘটনা ঘিরে শোরগোল জলপাইগুড়ি এলাকায়। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Jalpaiguri News: বিজেপি কার্যালয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল জলপাইগুড়ির খড়িয়া পঞ্চায়েতের বিবেকানন্দপল্লি এলাকায়। অভিযুক্তকে ইতিমধ্য়েই গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন বিবেকানন্দপল্লি এলাকায় অবস্থিত বিজেপি পার্টি অফিসের ঘটনা।স্থানীয়দের দাবি, দলীয় কার্যালয়ের ভেতরেই ওই মহিলাকে লাঞ্ছিত করা হয়।অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে এবং আজই তাকে আদালতে তোলা হবে।
মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে নির্যাতনের অভিযোগ:-
নির্যাতিতা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি দলের কোনো সদস্য বা কর্মী নন। কেবল রাতে ঘর পাহারার জন্য সেখানে থাকতেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ এই দাবি মানতে নারাজ। তাদের মতে, ধৃত ব্যক্তি সক্রিয়ভাবেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও জনরোষ তৈরি হয়েছে। দোষীর কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা।
এদিকে গোটা বিষয়টিকে তৃণমূলের পূর্ব পরিকল্পিত চক্রান্ত বলে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন জলপাইগুড়ি শহরের বিজেপির সহ সভাপতি চন্দন বর্মন। তিনি বলেন, ''এটি সাজানো চক্রান্ত। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই একজন অসুস্থ মানুষকে দিয়ে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।'' এমনকি তিনি আরও জানিয়েছেন যে, বিজেপির বদনাম করার জন্য কেউ বা কারা এই কাজ করিয়েছে। যদিও গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
অন্যদিকে, রঙের উৎসবের আনন্দের মাঝেই বীরভূমের দুবরাজপুরে শোকের ছায়া। বেঙ্গালুরুতে কর্মরত দুবরাজপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের এক যুবকের আকস্মিক মৃত্যুর খবর আসায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত যুবকের নাম গৌরসুন্দর হাজরা, বয়স ৩৮ বছর।
তিনি দুবরাজপুরের বাসিন্দা শ্যামল হাজরার ছেলে। মৃতদেহ আনতে মৃতের বাবা সহ তিনজন ব্যাঙ্গালোরের উদ্দেশে রওনা দেন। মৃতের বাবা শ্যামল হাজরা বলেন, ‘’আমার ছেলে গৌরসুন্দর দীর্ঘ দিন ধরে বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি সংস্থায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করত। আজ সকালে তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে ডিউটিতে যাওয়ার জন্য ডাকতে গেলে দেখেন সে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে আছে।''
দ্রুত তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই খবর দুবরাজপুরে পৌঁছানো মাত্রই শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দুবরাজপুর পৌরসভার পৌর প্রধান পীযূষ পান্ডে, প্রাক্তন বিধায়ক নরেশ চন্দ্র বাউরি সহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। পৌর প্রধান পীযূষ পান্ডে জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ইতোমধ্যেই মৃতদেহের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "ছেলেটি সুস্থ ছিল। রাতে ঘুমানোর পর সকালে কেন আর উঠল না, তা রহস্যজনক। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।"
তিনি আরও জানান যে, মৃত যুবকের পরিবারকে সহায়তার জন্য এবং মরদেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনার জন্য এলাকার কয়েকজনকে বেঙ্গালুরুতে পাঠানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে বুধবারের মধ্যে দেহ দুবরাজপুরে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


