দোলের দিন কড়া নিরাপত্তা সত্ত্বেও কলকাতা পুলিশ শহর জুড়ে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে। মূলত অভব্য আচরণ এবং মত্ত অবস্থায় ঘোরাফেরার অভিযোগে এই ধরপাকড় চালানো হয়। এই অভিযান চলাকালীন পুলিশ ২৫ লিটার মদও বাজেয়াপ্ত করে।

মঙ্গলবার ছিল দোল উৎসব। সারা শহর থেকে শহরতলী- এমনকী গ্রাম বাংলার সমস্ত মানুষ মেতেছিল আনন্দে। প্রতি বছরের মতো এই দিনে বন্ধ ছিল স্কুল, কলেজ, সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কিছু অফিস। প্রতি বছরই এই দোল উৎসব ঘিরে নানা অপ্রতিকর ঘটনা সামনে আছে। অভব্য আচরণ ও মত্ত অবস্থায় রাস্তায় ঘোরাফেরার কারণে নানান জায়গায় নানান অশান্তি দেখা যায়। সে কারণে এবার প্রথম থেকে সতর্ক ছিল পুলিশ প্রশাসন। আগে থেকে মোতায়েন করা হয়েছিল পুলিশ। তা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হল না। দোলের দিন একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। যার জেরে গ্রেফতার হয় শতাধিক।

দোলের দিন সারা শহর এবং শহরতলি জুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা। ছিল বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। তা তত্ত্বেও ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। অভব্য আচরণ ও মত্ত অবস্থায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরার কারণ গ্রেফতার করা হয় তাদের। লালবাজার সূত্রে খবর, শহরের ১০টি ডিভিশন জুড়েই এই গ্রেফতারির ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি অভিযান চালিয়ে ২৫ লিটার মদ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: Kolkata Metro: আজও কম চলবে মেট্রো, বাড়তে পারে ব্যবধান, মিলবে ইডেন ম্যাচ শেষে বিশেষ ট্রেন

দোলের দিন ৩৯৮টি জায়গায় কলকাতা পুলিশের পিকেট ছিল। খান্না মোড়, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, শ্যামবাজার সহ ৮৬টি জায়গা ছিল পিকেট। এদিন বিশেষ দায়িত্বে ছিল ছয়জন করে পুলিশকর্মী। বাকি ৩১২ পিকেটে তিনজন করে পুলিশ ছিল। বন্দর এলাকায় প্রায় ৭২টি পিকেট ছিল কাল। দক্ষিণ পূর্ব এবং দক্ষিণ শহরতলিতে ৩৬টি করে পিকেট থাকার কথাছিল। মহিলাদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ছিল টহলদারি ভ্যান ও পিসিআর ভ্যান। যার সংখ্যা ছিল ৬২টি। এদিকে কাল গঙ্গার ঘাটে সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ। লালবাজারের পক্ষ থেকে আগেই বলা হয়েছে, পিকেট ছাড়াও ২৪টি ঘাটে ডিএমজি দল থাকবে।

এই কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। শহরের ১০টি ডিভিশন জুড়েই এই গ্রেফতারির ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি অভিযান চালিয়ে ২৫ লিটার মদ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।