দ্বিতীয় ঢেউয়ের মাঝে রাজ্য সরকার আরোপিত দ্বিতীয় দফার লকডাউন বিধির মধ্যেই ইন্দো-বাংলা সীমান্তের মুর্শিদাবাদে বসবাসকারীদের জন্য 'খুশির খবর'।
জঙ্গিপুর মহাকুমা সহ সাগরদিঘী, সামশেরগঞ্জ, আহিরণ সহ অন্যান্য এলাকায় বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমনের মধ্যে  জেলায় ৫০ হাজারের অধিক কোভিশিল্ড  ভ্যাকসিন বরাদ্দ হল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুন, কোভিডে সংক্রমণ কমল কলকাতা সহ রাজ্যে, মৃত্যু কমছেই না উত্তর ২৪ পরগণায় 

 

 


 কালবিলম্ব না করেই শনিবার থেকে বিভিন্ন ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেগুলি দেওয়া শুরু হয়। তাছাড়া আগের অন্যান্য কেন্দ্রগুলিতেও টিকাকরণ চালু করা হয় পূর্ণ মাত্রায়। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় ভ্যাকসিনের চাহিদা অনেক বেশি রয়েছে। কিন্তু সেই পরিমাণ জোগান না থাকায় মাঝেমধ্যে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, আপাতত ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, টোটোচালক, রেশন ডিলার, ও ব্যাঙ্ককর্মীদের এখন টিকা দেওয়া হচ্ছে। বহরমপুর, জঙ্গিপুর বা কান্দির মতো শহরগুলিতেও আক্রান্তের তুলনামূলক বেশি। তবে মৃত্যুর সংখ্যা আগের মতোই রয়েছে। অধিকারীকদের দাবি, অনেকেই দেরিতে চিকিৎসা শুরু করছেন। সেই কারণে বহুক্ষেত্রে সমস্যা বাড়ছে। 

আরও পড়ুন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের হানা উত্তর দিনাজপুরে, কোভিড আক্রান্ত অবস্থাতেই মিউকরমাইকোসিসের সংক্রমণ 

 


এদিকে এই খবর চাউর হতেই দিন আনা দিন খাওয়া ঠিক আসমে থেকে হকার সকলে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সাগরদিঘির বাসিন্দা পেশায় টোটো চালক রাফায়েত শেখ, আহিরণের বাসিন্দা দিনো বন্ধু দাস, ফারাক্কার শামীম আখতারেরা বলেন,'এটা নিঃসন্দেহে আমাদের কাছে একটা দারুন খুশির খবর। ভ্যাকসিন দেওয়া আবার শুরু হয়েছে। কবে প্রয়োজন অনেক সেই তুলনায় কতজন এই ভ্যাকসিন পাবে সেটাই দেখার।' প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই মুহুর্তে রাজ্যে কার্যত লকডাউনে এতদিনের সংক্রমণ কিছুটা হলেও কমেছে। তবে আটকানো যায়নি মৃত্যু। তবে সেক্ষেত্রে মহামারীকে দমন করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে কোভিড ভ্য়াকসিন।