এবার আর মসজিদ কিংবা করবস্থানে জমায়েত করা যাবে না। ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করতে হবে বাড়িতেই। 'সবেবরাত'-এর আগের দিন, বুধবার সতর্কীকরণ অভিযান চলল পশ্চিম মেদিনীপুরে। বাজি কিংবা পটকা ফাটানোর ক্ষেত্রেও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

আরও পড়ুন: নিজামুদ্দিনকাণ্ডের জের,মসজিদে প্রবেশ করতে পারবেন না বহিরাগতরা

হিন্দুদের যেমন মহালয়া, মুসলিমদের তেমন সবেবরাত। মধ্যরাতে রীতিমতো ভিড় জমে যায় মসজিদ ও করবস্থানগুলিতে। প্রয়াত পূর্ব পুরুষদের আত্মার শান্তিকামনা করেন ইসলাম ধর্মালম্বীরা। অনেক জায়গায় মেলা বসে, রাস্তায় জমায়েত করেন বহু মানুষ। কিন্তু এবার আর তেমনই কিছুই হবে না! করোনা সতর্কতায় সবেবরাতের উৎসবে কাটছাঁট করার আবেদন জানানো হয়েছে মুসলিম সংগঠনগুলির তরফে। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে বুধবার থেকেই নোটিস ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে মসজিদ, মাঝার, এমনকী কবরস্থানে। নোটিসে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও কোনও জমায়েত করা যাবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাড়িতে পালন করতে হবে ধর্মীয় রীতিনীতি। শুধু তাই নয়, ফাটানো যাবে না বাজি কিংবা পটকাও।  এদিকে আবার সবেরবাতের পরই শুরু হবে রোজা। লকডাউনের বাজারে যেভাবে ফল-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যে দাম বাড়ছে, তাতে ইসলাম ধর্মালম্বী মানুষদের সমস্যায় পড়বেন বলে মনে করছে অনেকেই।

 

আরও পড়ুন: নিজামুদ্দিন ফেরত কতজন রাজ্য়ে, বিজেপির অভিযোগের জবাব দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী

আরও পড়ুন: রাস্তায় ভিড় করলেই বিপদ, হাজির হবে 'জীবন্ত করোনা ভাইরাস'

এর আগে গত শনিবার করোনা সংক্রমণ রুখতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সমস্ত মসজিদের বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে মুসলিম সংগঠনগুলি। ভিড় করে নয়, বাড়িতে বসে নমাজ পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।