কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া কংগ্রেস সভানেত্রীর সনিয়া গান্ধির পরামর্শের তীব্র প্রতিবাদ জানাল নিউজ ব্রডকাস্ট অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বর্তমানে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে চলেছে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা। সমস্ত কিছু উপেক্ষা করে নিজেদের কর্তব্য পালন করছে। সংবাদ মাধ্যম মূলত নিউজ চ্যালেনগুলি খবর পরিবেশন ও কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য প্রচুর পরিমানে অর্থ ব্যায় করে ফেলেছে। এই অবস্থায় যদি সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তীব্র সংকটের মধ্যে পড়তে হবে দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলিকে। 

এনবিএ-র পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, গোটা দেশেই লকডাউন চলছে। বন্ধ রয়েছে শিল্প ও ব্যবসা বাণিজ্যের কাজ। বেসরাকরি সংস্থা থেকে আসা বিজ্ঞাপণেও মন্দা দেখা দিয়েছে। গণমাধ্যমগুলিতে ইতিমধ্যেই আর্থিক আঘাত আসতে শুরু করেছে। তাই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া সনিয়া গান্ধির পরামর্শের প্রেক্ষিতে রীতিমত দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ .লকডাউন ১০০ শতাংশ নিশ্চিত করতে ১৫টি হটস্পট সিল উত্তর প্রদেশে, করোনা মোকাবিলায় কঠোর যোগী সরকার

আরও পড়ুনঃ করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ফেস মাস্ক কতটা নিরাপদ, কী বলছে সমীক্ষা

আরও পড়ুনঃ করোনা সংক্রমণ রুখতে রণনীতি বদল, দক্ষিণ কোরিয়ার পথেই কি ভারত

মঙ্গলবারই কংগ্রেস সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন আগামী দুবছেরের জন্য কোনও সরকারি বিজ্ঞাপন না দিয়ে সেই টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে পাঠানোর কথাও বলেছেন তিনি। সনিয়া সরাসরি জানিয়েছেন দুবছরের জন্য কোনও টিভি চ্যানেল, খবরের কাজ ও ডিজিটাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন না দিয়ে সেই টাকা করনোভাইরাসের সংকট মোকাবিলায় খরচ করা হোক। বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য প্রতিবছর সরকার ১২৫০ কোটি টাকা খবর করে। এই টাকাই পিএম কোয়ার ফান্ড বা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা করার কথা বলেছেন তিনি। পাশাপাশি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সবরকমভাবে সাহায্য করার আশ্বাসও দিয়েছেন সনিয়া গান্ধি।