করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের চাহিদা মেটাতে দেশ সক্ষম হবে। বৃহস্পতিবার তেমনই আশার কথা শুনিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ উপদেষ্টা। তিনি বলেছেন চলতি বছর শেষের দিকে অর্থাৎ ডিসেম্বরে ভারতের হাতে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের ২০০-র বেশি ডোজ হাতে থাকবে। উপদেষ্টা ভিকে পাল জানিয়েছেন এই আগামী পাঁচ মাসে ভারতে করোনাভাইরাসের ২০০ কোটি ডোস তৈরি হবে। আর সেগুলি শুধুমাত্র ভারতীয়রাই ব্যবহার করতে পারেবে। 

ভিকে পাল বিস্তারিত তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন, সেরাম ইনস্টিটিউ অব ইন্ডিয়ার পাশাপাশি ভারত বায়োটেকও করোনাভাইরাসের টিকা তৈরি করবে। তিনি বলেন সেরাম কোভিসিল্ডের ৭৫ কোটি ডোজ তৈরি করবে। ৫৫ কোটি ডোজ তৈরি হবে কোভ্যাকসিনের। পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন হাতে আসতে সময় লাগবে চলতি বছর শেষের দিকে অর্থাৎ ডিসেম্বরে। অগাস্ট থেকে ডিসেম্বের মধ্যেই দেশে এই বিপুল পরিমাণ টিকা তৈরি হবে।  

করোনা আক্রান্তের মানসিক চাপ কমাবে ডার্ক চকোলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রীর নিদান নিয়ে বিতর্ক ...

ভ্যাকসিন তৈরি বৃহত্তম দেশ হিসেবে পরিচিত ভারত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার যথাসময়ে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন গ্রহণ করেনি বলেও সরব হয়েছে বিরোধীরা। এখনও পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যার মাত্র তিন শতাংশকেই টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যগুলিতেই বেশি পরিমাণে টিকা সরবরাহ করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশ থেকে ভ্যাকসিন আনারও দাবি উঠেছে। দেশে ভ্যাকসিনের চাহিদা মেটাতে আগেই জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল স্পুটনিক ভিকে। আগামী সপ্তাহ থেকে তা ভারতের বাজারে বিক্রি করা হবে বলেও জানিয়েছেন নীতি আয়োগের সদস্য ভিকে পল। আগামী সপ্তাহে ভারতের বাজারে স্পুটনিক ভি, ভারতের করোনা যুদ্ধের মোড় ঘোরাতে পারে রাশিয়ার টিকা ...

মাত্র ১২ দিন, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গে ভেসে গেল ছোট্ট দুই বোনের শৈশব ...

অন্যদিকে ইন্ডিয়ান ই বায়লজিক্যাল থেকে ৩০ কোটি, সেরামের নোভ্যাভ্যাক্সের ২০ কোটি স্পিটনিক ভি ১৫ কোটি ও ভা\রতের বায়োটেকেন ন্যাসাল ড্রপ ৫ কোটি ডোজ করোনার ভ্যাকসিন হিসেবে ভারতের হাতে আসার কথা রয়েছে।  ভিকে পল জানিয়এছেন আগামী ১-২ দিনের মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ছাড়পত্র পাওয়া যে কোনও ভ্যাকসিনের মঞ্জুরি দেওয়া হবে। বর্তমানে করোনা বিধ্বস্ত ভারতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।