গোটা বিশ্বের সবকটি দেশেই কমবেশি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। প্রথম বিশ্বের দেশগুলি রীতিমত ত্রস্ত সংক্রমণ মোকাবিলায়। এই অবস্থায় রীতিমত চুপচাপ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। নিউ ইয়র্কের একটি সংস্থার অভিযোগ, গত মার্চ মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত নজরদারী তালিকায় থাকা প্রায় ১৮০০ সন্ত্রাসবাদীর নাম কেটে দিয়েছে পাক প্রশাসন।

নিউ ইয়র্কের ওই সংস্থার অভিযোগ, গত ১৮ মাস ধরেই সকলের অজান্তে রীতিমত ধীরে ধীরে  নজরদারীর তালিকা থেকে প্রায় ৩হাজার ৮০০ সন্ত্রাসবাদীর নাম সরিয়ে ফেলেছে। ২০১৮ সালে এই নজরদারীর তালিকাটি তৈরি করা হয়েছিল। তখন ৭ হাজার ৬০০ জঙ্গির নাম ছিল এই তালিকায়। 

এই তালিকায় ছিল মুম্বই হামলার এক অত্যতম চক্রী লস্কর ই  তৈবার অপারেশন কমান্ডার জাকির উর রহমন লাকভি।  এফএটিএফ নতুন মূল্যায়ণের আগে পাকিস্তান চুপচার লাকভির নামই সরিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। 


সন্ত্রাসবাদী  কার্যকলপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের তালিকা করেছিল পাকিস্তান জাতীয় কাউন্টার টেরোরিজম অর্থারিটি । তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন বা সেই সব সংস্থাকে আর্থিক লেন সহায়তা করেতেই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। 

সংস্থাটির অভিযোগ যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের এখনই কাজে লাগাতে পারে পাকিস্তান। এরই মধ্যে ভারত পাক সীমান্তে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান। জম্মু কাশ্মীরের একাধিক এলাকায় জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও গোয়েন্দা সূত্রে খবর। 

আরও পড়ুনঃ করোনা ছড়ানোর পর ভারতে পিপিই সংকটের কারণও নাকি সেই চিন, অভিযোগ হোয়াইট হাউসের ...

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই সাফল্য এনেছে, যুদ্ধ জয়ের পর বললেন 'টিচার আম্মা' ...

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে, তাও দ্রুত পরীক্ষা বন্ধ রাখতে রাজস্থান সরকার ...

বর্তমানে এফটিএফ-এর গ্রে লিস্টে রয়েছে পাকিস্তানের নাম। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদীদের অর্থ সাহায্যে অভিযোগও উঠেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অর্থসাহায্য বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে। এই অবস্থায় নজরদারী  তালিকা থেকেই জঙ্গিদের নাম সরিয়ে দিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে চাইছে পাকিস্তান। আগামী জুন মাসে এই নজরদারী তালিকা আবারও পর্যালোচনা করা হবে এফটিএফ।