দ্রুত পরীক্ষা বন্ধ রাখছে রাজস্থান সরকারদ্রুত পরীক্ষার কিট সঠিক নির্ণয় করছে না অভিযোগ রাজস্থানের স্বাস্থ্য মন্ত্রীরজানান হয়েছে আইসিএমআরকে  

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে রাজস্থানে। এই পরিস্থিতিতে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের গাইড লাইন মেনে দ্রুত পরিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শুক্রবার থেকে রাজ্যের বেশ কয়েকটি হটস্পটে দ্রুত পরিক্ষার গ্রহণ শুরুও হয়েগিয়েছিল। কিন্তু সোমবারই পরীক্ষা স্থগিত রাখার কথা জানিয়েছে রাজস্থান সরকার। রাজস্থান সকারের দাবি,রাজ্যের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান ও মেডিসিন বিভাগের প্রধানকে নিয়ে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। যার মূল কাজ ছিল পরীক্ষা কতটা সঠিক হয়েছে তা নির্ণয় করা। কিন্তু যেখানে ৯০ শতাংশ সঠিক ফল আশা করা হয়েছিল সেখানে মাত্র ৫.৪ শতাংশ ফলই সঠিক এসেছে। দ্রুত পরীক্ষার কিটগুলি থেকে পাওয়া তথ্য ভুল রয়েছে। তাই বন্ধ রাখা হয়েছে পরীক্ষা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রঘু শর্মার জানিয়েছেন দ্রুত পরীক্ষার কিটগুলি থেকে পরীক্ষার পর মাত্র ৫.৪ শতাংশই সঠিক ফল পাওয়া যাচ্ছে। হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত জয়পুর থেকেই প্রথম পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। ইতিমধ্যেই ১৭০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। ওই একই কিট থেকেই পরীক্ষার জন্য করোনাভাইরাসে আক্রান্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু পরিক্ষার পর জানা যায় আক্রান্তও পজেটিভ। কিটগুলি মানদণ্ড পুরণ করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এরপরই তাঁরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের পরামর্শেই স্থগিত করা হয় দ্রুত পরীক্ষা। রাজস্থান স্বাস্থ্য দফতর থেকে আইসিএমআরকে চিঠি লিখেও পুরো বিষয়টি জানান হয়েছে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন। 

মার্চ মাসের শেষেই আইসিএমআর দেশীয় ও বিদেশী সংস্থার কাছ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ দ্রুত পরীক্ষার অ্যান্টিবডি কিট সংগ্রহ করেছিল। সূত্রের খবর যার অধিকাংশ চিন থেকে আমদানি করা হয়েছিল। মূল উদ্দেশ্যই ছিল করোনা হটস্পট গুলিতে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে দ্রুত পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। আর এই দ্রুত পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্র ১৫ মিনিটেই জানা যাবে আপনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা। কিন্তু রাজস্থান সরকার জানিয়ে দিয়েছে ফল সঠিক না রাখায় আপাতত বন্ধ করা হচ্ছে দ্রুত পরীক্ষার ব্যবস্থা। 

যদিও আইসিএমআর-এর পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, দ্রুত অ্যান্টিবডি পরীক্ষার মাধ্যমে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়। তার জন্য় প্রয়োজন সোয়াব টেস্ট বা পিসিআর টেস্ট। কিন্তু কোনও একটি এলাকার পরিস্থিতি বিচার করার জন্য দ্রুত পরীক্ষা প্রয়োজন রয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ করোনা ছড়ানোর পর ভারতে পিপিই সংকটের কারণও নাকি সেই চিন, অভিযোগ হোয়াইট হাউসের ...

আরও পড়ুনঃ বেঙ্গালুরুতে বসে চমক বঙ্গ বিজ্ঞানীর, করোনাকে জব্দ করতে 'ট্রিবই'মাস্কের আবিষ্কার ...

আরও পড়ুনঃ রাহুল গান্ধির নিশানায় আবারও কেন্দ্রের মোদী সরকার, এবার প্রসঙ্গ স্যানিটাইজার আর ধান ..

রাজস্থানে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫৭০। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। রাজ্যের একটিমাত্র হটস্পটে চূড়ান্ত সাফল্য পেয়েছিল সরকার। কিন্তু বাকি রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্টই চিন্তা রয়েছে প্রশাসনের মধ্যে।