পরিসংখ্যান দেখলে রীতিমতো চমকে উঠতে হচ্ছে! এতটুকু এদিক ওদিক নেই। যদি ইমরান খানের দলের সদস্যরা বেঁচে না থাকতেন, তাহলে মনে হতো হয়তো সরফরাজ আহমেদের পাকিস্তান দলের ঘাড়ে যেন ১৯৯২ সালের পাকিস্তান দলের সদস্যদের ভূত চেপেছে। এখন পর্যন্ত এতটাই মিল ইমরান খান আর সরফরাজ আহমেদের দলের বিশ্বকাপ দৌড়ে।

কীরকম? চলতি বিশ্বকাপের প্রথম ম্য়াচেই ৭ উইকেটে জঘন্য হার হয়েছে পাকিস্তানের। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে ১৯৯২ সালেও প্রথম ম্যাচে ক্যারিবিয়ান দলেরই মুখোমুখি হয়েছিল ইমরান খানের পাকিস্তান এবং হেরেছিল ১০ উইকেটে।

পরের ম্যাচেই ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে সরফরাদ আহমেদের দল। আর ইমরান খান বাহিনী ১৯৯২ সালে দ্বিতীয় ম্য়াচে হারিয়েছিল জিম্বাবোয়েকে। সবচেয়ে আশ্চর্যের হল দুই ক্ষেত্রেই তৃতীয় ম্য়াচটি বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছে।

সরফরাজের দল তার পরের দুটি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিরুদ্ধে। ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পরাজিত হয়েছিল ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। কিন্তু তার পরের ম্য়াচেই ফের জয়ের সরণিতে ফিরেছিল অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে। যেমনটা ভারত ম্যাচের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে করে দেখিয়েছেন সরফরাজ আহমেদরা।   

অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ থেকে কিন্তু বাকি সবকটি ম্যাচ জিতে শেষ পর্যন্ত বেনসন অ্যান্ড হেজেস ট্রফি জিতেছিল ইমরান খান। পাক সমর্থকরা আশা করছেন মিরাকল ঘটার। বিশ্বকাপের মাঝামাঝি এসে যেমন ইমরানের দলের ফলের সঙ্গে সরফরাজে দলের মিল পাওয়া যাচ্ছে, তেমনটা বাকি টুর্নামেন্টেও হবে। কাপ আসবে সরফরাজের হাতেই।

শেষ পর্যন্ত কি হবে জানা নেই, তবে একদূর পর্যন্ত দুই দলের এই আশ্চর্য মিল রীতি মতো গা ছমছমে।