মাত্র তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ও একটি টি২০ - ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা বলতে এইটুকুই। তারপরেও তাঁর প্রতিভাকে বিশ্বকাপে তুলে ধরার লোভ সামলাতে পারলেন না ইংরেজ ক্রিকেট নির্বাচকরা। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসানে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ২০১৯-এর দলে নেওয়া হল জোরে বোলার জোফ্রা আর্চারকে। পাকিস্তানের মতো ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ২০১৯-এর চুড়ান্ত দলেও হল তিন-তিনটি পরিবর্তন। জোফ্রা ছাড়াও শেষ মুহূর্তে দলে এলেন লিয়াম ডসন ও জেমন ভিন্স।

গত মাসে তাঁদের ঘোষিত প্রাথমিক ১৫ জনের দল থেকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছিল অ্যালেক্স হেলস-কে। তাঁর বদলে এদিন দলে নেওয়া হয় হ্যাম্পশায়ারের অলরাউন্ডার লিয়াম ডসনকে। তিনি গত বছর অক্টোবরে ইংরেদজ জার্সিতে শেষ খেলেছিলেন। চোট পেয়ে দল থেকে বাদ পড়ে যান। বিশ্বকাপে দলে ফেরানো হল তাঁকে।

বাদ পড়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলে যাওয়া জোরে বোলার জো ডেনলি-ও। তাঁর বদলে নেওয়া হয়েছে জেমস ভিন্সকে। সদ্যসমাপ্ত পাকিস্তান সিরিজে তিনি বল হাতেও ভালও করেছেন। সেই সঙ্গে তাঁর ব্যাটের ক্ষমতা তাঁকে দলে জায়াগা পাওয়ার বিষয়ে এগিয়ে দিয়েছে।

তবে জোফ্রা আর্চার -এর অনভিজ্ঞতা সত্ত্বেও তাঁকে দলে নেওযা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ইংরেজ ক্রিকেট মহলেই। নির্বাচকরা বলছেন, তাঁর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা না থাকলেও, গত দুই-এক বছরে অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলেছেন তিনি। কাজেই আন্তর্জাতিক ব্য়াটসম্য়ানদের মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর যথেষ্টই। সেই সঙ্গে নিয়মিত ১৫০ কিমি প্রতি ঘন্টায় বল করতে পারেন। শুরুতে নতুন বল হাতে এবং শেষে ডেথ ওভারেও সমানভাবে বল করতে পারেন তিনি। এই সব কারণেই তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে।  

দলে সুযোগ পাওয়ার পর আর্চার নিজেও জানিয়েছেন, তাঁর মনে হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপ, আইপিএল-এর মতোই। কাজেই মানিয়ে নিতে খুব অসুবিধা হবে না। আইপিএল-এ রাজস্থান রয়্যালস দলের হয়ে এই বছর খুবই ভালো বল করেছেন এই ইংরেজ বোলার।

বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের চুড়ান্ত ইংল্যান্ডর দল -

জনি বেয়ারস্টো, জস বাটলার, টম কুরান, লিয়াম ডসন, ইয়ন মর্গান (অধিনায়ক), জো রুট, জেসন রয়, লিয়াম প্লাঙ্কেট, মইন আলি, আদিল রশিদ, বেন স্টোকস, জেমস ভিন্স, জোফ্রা আর্চার, ক্রিস ওকস এবং মার্ক উড।