জেসন রয় (৫৪), জো রুট (৫১), ইয়ন মর্গান (৫৭), বেন স্টোকস (৮৯) - চারজন অর্ধশতরান করলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও ৩১১ রানের থেকে বেশি করতে পারল না ইংল্যান্ড। একেবারে শুরুতেই বেয়ারস্টো, আর পরে সেট হওয়া মর্গানকে ফিরিয়ে দিয়ে একেবারে শুরুতেই নায়ক হয়ে উঠলেন ইমরান তাহির। এই রানটা অবশ্যই ভালো, কিন্তু জয়ের জন্য যথেষ্ট কি না তা দেখার জন্য ম্.য়াচের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এদিন ইমরান তাহিরকে দিয়ে বোলিং শুরু করিয়ে চমক দিয়েছিলেন ডু প্লেসিস। দ্বিতীয় বলেই বোয়ারস্টো (০)-কে ফিরিয়ে শুরুতেই ধাক্কা দেন তিনি। শুধু তাই নয়, এখান থেকে যখন জো রুট ও মর্গান ইংল্যান্ড দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল তখন আবার মর্গানকে ফিরিয়ে দেন তাহির। তার আগের ওভারেই অবশ্য রুট-মর্গান'এর ১০৬ রানের জুটি ভেঙেছিলেন ফেহলুকাওইও। এরপর আবার ডেথ ওভা বল রতে এসে ৩ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিলেন। সব মিলিয়ে প্রথম দিনই বিশ্বকাপে উজ্জ্বল হ.য়ে লেন তাহির।

পরিসংখ্যান বলছে ইংল্যান্ড শেষ ৫ ম্যাচের একটিতে ৩৪১ ছাড়া বাকি সবগুলিতেই সাড়ে তিনশ' রান তুলেছে। কিন্তু এদিন বেনটোক্স দুর্ত একটি ইনিংস খেললেন। বাকি তিন অর্ধশতরানকারীও অনায়াসে রান করছিলেন। কিন্তু কেউ বড় রানের ইনিংসেরিণত করতে পারলেন না।

নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়ায় কেউই সেইভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না। তার মূল কারণ তাহিরের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার রাবাডা, এনগিদি, ফেলহুকাওইও - প্রত্যেকেই খুব ভালো বল করেছেন। আর সেই কারণেই ৪০ ওভারে আড়াইশট রানের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েও শেষ দশ ওভারে ৭৬ রানের বেশি তুলতে পারল না ইংল্য়ান্ড।