এক ইনিংসেই বিরাট কোহলি ও রবি শাস্ত্রীর কপালের অনেকগুলি ভাঁজ কমিয়ে দিলেন কেএল রাহুল। ৯৩ টি বল খেলে দুর্দান্ত মানসিকতার পরিচয় দিয়ে শতরান করলেন তিনি। শুধু শতরান করাই নয়, ১৪তম ওভারে ৫০ রানে ২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ব্য়াট করতে নেমে দারুণভাবে গিয়ার বদলে ভারতের ইনিংস গড়ার কাজ করলেন তিনি।

শতরান করার পথে তিনি ৩টি ছয় ও ১২টি চার মারেন। যখন নেমেছিলেন তখন অবশ্য বেশ নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করছিলেন লোকেশ রাহুল। সঙ্গে ছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু ১৯ তম ওভারে স্কোরবোর্ডে ১০০ রান ওঠারও আগে বিরাট ও ২২ তম ওবারে ১০২ রানে বিজয় শঙ্কর আউট হওয়ার পর, ধোনিকে সঙ্গে নিয়ে রাহুল প্রান্ত বদল করে খেলতে থাকেন। যে কারণে শতরান করার পথে ৪৯টি ডট বলও খেলেন রাহুল।

ইনিংস থিতু হতেই অবশ্য হাত খোলেন কেএল। উল্টো দিক থেকে য়োগ্য সঙ্গত দিয়েছেন ধোনিও। ভারতীয় ইনিংসের ৪২তম ওবারে বাংলাদেশী স্পিনার সাব্বির রহমানের বল কভার অঞ্চলে ঠেলে তিনি শতরান পূর্ণ করেন। অবশঅয তারপর বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। ৪৪তম ওভারে সাব্বিরের বলেই ৯৮ বলে ১০৮ রান করে আউট  হয়ে যান কেএল রাহুল। সেই সময় ভারতের স্কোর ছিল ৪৩.২ ওভারে ২৬৬/৫।

ভারতের চার নম্বর জায়গায় কে ব্যাট করবেন তাই নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বেছে নেওয়া হয়েছিল বিয় শঙ্করকে। কিন্তু আইপিএল থেকেই শঙ্করের ফর্ম পড়েছে। তার উপর ইংল্যান্ডে আসার পর প্রথম অনুশীলনেই হাতে চোট পান তিনি। তামিলনাড়ুর অলরাউন্ডার এদিন খেললেও ব্যাট হাতে কিন্তু তাঁকে বিশেষ স্বস্তিতে দেখা যায়নি। ৭ বলে মাত্র ২ করেই রুবেল হোসেনের বলে আউট হন তিনি।

তবে রাহুলের এদিনের ইনিংসের পর আগামী ৫ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে চার নম্বরে সম্ভবত তাঁকেই দেখা যাবে।