ফিঞ্চ-স্মিথের জোড়া সেঞ্চুরি ও ওয়ার্নার-ম্যাক্সওয়েলের দুরন্ত ইনিংস। প্রথম একদিনের ম্যাচে ভারতকে ৩৭৫ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া। করোনার কারণে প্রায় ৮ মাস পর মাঠে ফিরল ভারতীয় ক্রিকেট দল। এদিন সিডনিতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ব্যাট হাতে দুরন্ত শুরু করেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথমে উইকেট না হারিয়ে একচু ধীর গতিতে শুরু করলেও, পরে রানের গতিবেগ বাড়ান দুই ব্যাটসম্যান। ওপেনিং জুটিতে ১৫৬ রানে র পার্টনারশিপ করেন দুই তারক ব্যাটস্যান। ২৮ তম ওভার প্রথম উইকেট পড়ে অস্ট্রেলিয়ার। ৬৯ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। ৬টি চারে সাজানো তার ইনিংস।

এরপর অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান স্টিভ স্মিথ ও অ্যারন ফিঞ্চ। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্ব ব্যাটিং শুরু করেনল স্মিথ। একের পর এক বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারি মারতে থাকেন স্মিথ ও ফিঞ্চ জুটি। নিজের শতরানও পূরণ করেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। আইপিএলে ফল্প হলেও, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যে তিনি দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন, তা প্রমাণ করেন ফিঞ্চ। ৪০ তম ওভারে আউট হন ফিঞ্চ। ১১৪ রান করে বুমরার শিকার হন তিনি। ৯টি চার ও ২টি ছয়ে সাজানো তার ইনিংস। তৃীতয় উইকেট পেতে অবশ্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি ভারতীয় দলকে। ৪১ তম ওভারে যুজবেন্দ্র চাহলের বলে খাতা না খুলেই আউট হয়ে যান মার্কাস স্টয়নিস।

অপরদিকে বিধ্বংসী ইনিংস চালিয়ে যান স্টিভ স্মিথও। আইপিএল খুব একটা ভালো না গেলেও দেশের হয়ে ফিরেই অর্ধশতরান পূরণ করেন তিনি। এরপর কার্যত চার-ছয়ের বন্যা বইয়ে দেন দুই অজি ব্যাটসম্যান স্মিথ ও ম্যাক্সওয়েল। ১৯ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন ম্যাক্সি। ৫টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তার ইনিংস।     ৪৫ তম ওভারে মহম্মদ শামির বলে আউট হন তিনি। এরপর ক্রিজে নেমে ৪৬ তম ওভারেই আউট হয়ে যান মার্নাস লাবুশাঙে। ২ রান করে নবদীপ সাইনির শিকার হন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন অ্যালেক্স ক্যারে। অপরদিক থেকে নিজের অনবদ্য ইনিংস চালিয়ে নিজের শতরান পূরণ করেন স্টিভ স্মিথ। মাত্র ৬২ বলে সেঞ্চুরি করেন অজি তারকা। শেষ ওভারে শামির বলে আউট হন স্টিভ স্মিথ। ৬৬ বলে ১০৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন তিনি। ১১টি চার ও ৪টি ছয় মারেন স্মিথ। ৫০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দাঁড়ায় ৩৭৪ রান। ভারতের টার্গেট ৩৭৫ রান।