মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের জন্য টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছলো ভারত। তাদের সাথে সেমিফাইনালে দেখা হওয়ার কথা ছিল ইংল্যান্ডের। কিন্তু সিডনিতে সেমিফাইনালে মাঠে নামতেই পারেনি দুই দল। বৃষ্টির জন্য ম্যাচটি পুরোপুরি ভেস্তে যায়। কোনও রিসার্ভ ডে না থাকায় গ্রূপে প্রথম স্থান অধিকার করে থাকায় ফাইনালে যাওয়ার ছাড়পত্র পায় ভারতীয় দল। এর আগে ভারত তিনবার মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি থেকেই বিদায় নিয়েছিল এবং সেগুলিই ছিল মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপে তাদের সেরা পারফরম্যান্স। এখন ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে গতবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিজয়ী অস্ট্রেলিয়ার। বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সেমিফাইনালে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে তারা। 

গ্রূপে একটিও ম্যাচ না হেরে সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল ভারত। তাদের এই সাফল্যের পেছনে দলগত সাফল্যের থেকেও বেশি অবদান ছিল ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের এবং যাদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ভারতকে এই জায়গায় পৌঁছতে সাহায্য করেছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো শেফালি ভার্মা। ব্যাট হাতে তিনি ভারতের হয়ে থেলেছেন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। মূলত তার ব্যাটিং এবং পুনম যাদবের স্পিন বোলিংয়ের ওপর নির্ভর করেই টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে পৌঁছতে পেরেছে। সেমিফাইনালে তার ব্যাটের কেরামতি না দেখা গেলেও ফাইনালে তার ব্যাটের ঝলক ভালোই দেখা যাবে বলে আশা করছেন ক্রিকেটমহল। 

সেমিফাইনালের আগে অবধি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক দের তালিকায় তিন নম্বরে ছিলেন শেফালি। প্রতি ম্যাচেই ব্যাট হাতে খেলছেন গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে পছন্দ করেন শেফালি। টিমের তরফ থেকে তার ওপর আলাদা করে কোনো সীমাবদ্ধতা না চাপিয়ে দিয়ে খোলামনে ব্যাটিং করতে বলা হয়েছে। তার ফলেই এইরকম সাফল্য পেয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার বলে মনে করছেন তার সদস্যরা। 

সেমিফাইনালের আগের দিন মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের তরফ থেকে শেফালিকে নিয়ে একটি ভিডিও টুইট করা হয়েছিল। তাতে দেখা যায় সতীর্থরা থ্রো ডাউন দিচ্ছেন এবং একমনে স্ট্রোক খেলছেন শেফালি। টুর্নামেন্টে অসাধারণ ব্যাটিংয়ের দৌলতে ব্যাটসম্যানদের ক্রমতালিকায় ১ নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি। সেই ঘটনাটি উল্লেখ করে তার ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করা হয়েছিল টুইটটিতে।