আইপিএলের জন্য আরব আমিরশাহি যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে প্রত্যেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দলই। সেখানে গিয়ে নির্দিষ্ট সব স্বাস্থ্যবিধি মানার পর অনুশীলন শুরু করতে পারবে দলগুলি। কিন্তু এবার আইপিএলে প্লেয়াররা জৈব নিরাপত্তা বৈষ্টনীর মধ্যে থাকার কারণে স্থানীয় নেট  বোলারদের অনুশীলনের জন্য ব্যবহার করতে পারবে না দলগুলি। তাই নেট বোলার হিসেবে ভারত থেকে প্রতি টিমের সঙ্গে যেত চলেছে বেশ কিছু জুনিয়র ক্রিকেটার। যদিও আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির জন্য ক্রিকেটারের সংখ্য বেধে দিয়েছে বিসিসিআই। কিন্তু অনুশীলনের জন্য কমবেশি ৫০ জন নেট বোলারও পারি দিতে চলেছে মরু দেশে।

আরও পড়ুনঃ১৮ অগাস্ট নতুন টাইটেল স্পনসর পেতে চলেছে আইপিএল, জানালেন ব্রিজেশ প্যাটেল

ভারতের মাটিতে আইপিএল হলে স্থানীয় বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিমান বোলারদের নেট বোলার হিসেবে ব্যবহার করা হত। কিন্তু বিদেশের মাটিতে আইপিএলল হওয়ায় এবার নেট বোলারদের মেনে চলতে হবে সমস্ত রকম স্বাস্থ্যবিধি। তাই এই বছর  প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেট খেলা তরুণ বোলার এবং অনূর্ধ্ব-১৯, অনূর্ধ্ব-২৩ রাজ্য স্তরের ক্রিকেটারদেরই নেট বোলার হিসেবে নিয়ে যাচ্ছে দলগুলি। কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংস ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা ১০ জন করে নেট বোলার নিয়ে যাবে দেশ থেকে। দিল্লি ক্যাপিটালস ৬ জন নেট বোলারকে আমিরশাহী উড়িয়ে নিয়ে যেতে চায়৷ ফ্র্যাঞ্চাইজি সুত্রে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃফ্র্যাঞ্চাইজির নিষেধাজ্ঞা,তারপরও পরিবারকে সঙ্গে রাখার অভিনব ব্যবস্থা করলেন রায়না

আরও পড়ুনঃস্ত্রী মাস্ক না পড়ায় পুলিসের সঙ্গে চরম বিবাদ রবীন্দ্র জাদেজার, হাসপাতালে ভর্তি মহিলা কনস্টেবল

ফলে করোনা আবহে বিদেশের মাটিতে আইপিএল বেশ কিছু তরুণ বোলারদের কাছে আশির্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। সিনিয়র প্লেয়ারদের সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে প্র্যাকটিস সেশনে থাকা, নেটে বল করতে পারবেন তারা। যেই অভিজ্ঞতা তাদের ভবিষ্যেতের জন্য অনেক কাজে দেবে বলেই মনেই করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে নিজেদের নেটে নিজেদের প্রমাণ করলে ভবিষ্যতে সুযোগও মিলতে পারে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলে খেলার জন্য। ফলে যেসকল ক্রিকেটাররা সুযোগ পাচ্ছেন তারাও নিজেদের উজার করে দিতে মরিয়া হয়ে রয়েছেন।