সকলেই জানেন রান ডিফেন্ড করার চেয়ে, রান তাড়া করার নীতিতে বেশি স্বচ্ছন্দ বিরাট কোহলি। কিন্তু সোমবার রাতে তার দল রান তাড়া করে নয়, নাটকীয় ম্যাচে রান বাঁচাতে নেমে সানরাইজার্সকে ১০ রানে হারিয়ে আইপিএল ২০২০'র যাত্রা শুরু করল। বিরাটের রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের শুরুটা ভালো হলেও পরপর দেবদূত, ফিঞ্চ এবং কোহলির উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তাড়া। সেখান থেকে একা কুম্ভ হয়ে অর্ধশতরান করে দলকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দেন এবি। প্রথমে ধীরে শুরু করলেও পরে সামনে আসা সকল বোলারকে ব্যাট হাতে শাসন করে অর্ধশতরান করেন তিনি। তার দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরির দোলতেই ১৬০ এর গণ্ডি পেরোয় আরসিবি।

পরে বোলিংয়ে মূলত স্পিন ভেল্কিতে বাজিমাত আরসিবির। ১৬ তম ওভারে টানা দুই বলে সেট ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো ও বিজয় শংকর তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ভারতীয় লেগ স্পিনারের ভেল্কিতেই ম্যাচের অভিমুখ নিজেদের দিকে করে নিয়েছিল আরসিবি। ঠিক সময়ে স্পিন ভেল্কিতে মনীশকে বাউন্ডারি সীমানায় কিনারায় সাইনির হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরান সদ্য বিবাহিত লেগ-স্পিনার পরে বেয়ারস্টোকে বোল্ড করে ব্যাঙ্গালোরের হাতে ম্যাচের রাশ তুলে দেন চাহাল। ৪৩ বলে ঝকঝকে ৬১ রানের ইনিংস খেলেন বেয়ারস্টো। টপ অর্ডারে তিনি ও মনীশ ছাড়া সানরাইজার্সের হয়ে বাকিরা কেউই রান পেলেন না। বলে ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান খরচ করে ৩ উইকেট তুলে দলকে জেতানোয় ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন চাহাল। 

তবে খেলা সেখানেই পুরোপুরি শেষ হয়নি। সানরাইজার্সের শেষ দিকের ব্যাটসম্যানরাও ব্যাট ধরতে জানেন। এরপর ১৮ তম ওভারে নভদীপ সাইনি ২ উইকেট তুলে নিয়ে জেরালো ধাক্কা দেন কমলা শিবিরে। ভুবনেশ্বর কুমার ও রশিদ খানকে ১ বলের ব্যবধানে তুলে নিয়ে সানরাইজার্সের অষ্টম উইকেট ফেলে দিয়ে ওখানে ম্যাচের ফলাফল ওখানেই নিশ্চিত করে দিয়েছিলেন নভদীপ। চোট পাওয়ায় ব্যাটিং কিংবা বোলিং দুই জায়গাতেই প্রভাবিত করতে পারেননি অজি অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ।