ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে এবার সামিল হলেন জাতীয় দলের প্রাক্তন অলরাউন্ডার রবিন সিং। মাহেলা জয়বর্ধনে, টম মুডির মতো যাঁরা ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে, তাঁদের থেকে ধারেভারে অনেকটাই পিছিয়ে রবিন। কিন্তু মুডি বা জয়বর্ধনেরা শেষ পর্যন্ত সত্যি আবেদন করলেও কালো ঘোড়া হিসেবে অন্যান্য হেভিওয়েটদের মতোই বর্তমান কোচ রবি শাস্ত্রীকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেন প্রাক্তন এই অলরাউন্ডার। কারণ কোচিংয়ে পনেরো বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে প্রাক্তন বাঁ হাতি এই ব্যাটসম্যানের। কোচ হিসেবে বিভিন্ন ভূমিকায় যথেষ্ট সফলও তিনি। 

জাতীয় দলের কোচ হিসেবে আবেদন করার কথা নিজে স্বীকারও করে নিয়েছেন রবিন সিং। ২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ভারতের জাতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ ছিলেন তিনি। এছাড়াও ভারতের অনুর্ধ্ব ১৯ দলের কোচ ছিলেন তিনি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সহকারী কোচ হিসেবেও সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন রবিন।  

কোচ হিসেবে আবেদনের কথা স্বীকার করার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান কোচ রবি শাস্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও ঘুরিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন রবিন সিং। একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিককে তিনি বলেছেন, 'বর্তমান কোচের অধীনে পর পর দুটো বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে হেরেছে ভারত। এর পাশাপাশি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ চার থেকেও বিদায় নিয়েছে দল। আমার মনে হয় কোচ বদল হলে সেটা দলের পক্ষে ভাল হবে। ২০২৩ বিশ্বকাপের জন্যও এখন থেকে প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়া ভাল।'

শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কোচের দায়িত্বে থাকলে তিনি কীভাবে দলের স্ট্র্যাটেজি ঠিক করতেন, তাও জানিয়েছেন রবিন সিং। তিনি বলেন, 'একজন খেলোয়াড় হিসেবে সব পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। খেলোয়াড়দের মানসিকতাটা বুঝতে হবে। যেভাবে বল মুভ করছিল, এবং রোহিত শর্মা শুরুতেই ফিরে গিয়েছিল, তাতে আমি ওই ম্যাচে বিরাট কোহলিকে চার নম্বরে ব্যাট করতে পাঠাতাম। তার জায়গায় ময়াঙ্ক আগরওয়ালকে তিন নম্বরে খেলাতাম। আর এম এস ধোনিকে পাঠাতাম পাঁচ নম্বরে। এর ফলে ধোনি- বিরাট একসঙ্গে ব্যাট করার সুযোগ পেত। ওঁদের পরে হার্দিক পান্ডিয়া, ঋষভ পন্থ এবং রবীন্দ্র জাডেজার মতো তিনজন পাওয়ার হিটার থাকত আমাদের হাতে।'