সকালের স্যুয়িং-কে কাজে লাগিয়ে বাংলাকে বিশাল বড় রান তোলার থেকে আটকাল ওড়িশা। প্রথম দিনে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩০৮ রান তুলেছিল বাংলা। অপরাজিত ছিলেন শতরানকারী ব্যাটসম্যান অনুস্টুপ মজুমদার। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের সকালের ইনিশিয়াল মুভমেন্টের সামনে অসহায় ভাবে আত্মসমর্পণ করলেন বাংলার বাকি ব্যাটসম্যানরা। আগেরদিনের রানের সঙ্গে আর একটি রানও যোগ না করে আউট হন শাহবাজ আহমেদ। ৮২ রানে আউট হয়ে ফেরেন তিনি। অনুস্টুপ মজুমদার প্যাভিলিয়নে ফেরেন দেড়শ রান করে।

কটকের প্রথম ইনিংসে বাংলার বড় রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে ওড়িশা ৪ উইকেট খুইয়ে ১৫১ রান তুলতে সমর্থ হয়। শুরুটা মন্দ করেননি ওড়িশার ব্যাটসম্যানরা। একসময় মাত্র ১ উইকেট খুইয়ে ১২৪ রান তুলে ফেলেছিল ওড়িশা। শেষ পর্যন্ত দিনের শেষে আবার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন বাংলার বোলার। নীলকণ্ঠ দাস নেন ২ উইকেট। ঈশান পোড়েলের খাতায় ১ উইকেট। এখনো বাংলার থেকে ১৮১ রানে পিছিয়ে ওড়িশা। শান্তনু মিশ্র ৬২ এবং দেবাশীষ সামন্ত রায় ৬৮ রানে আউট হয়েছেন।

উল্টোদিকে গোয়ার বিরুদ্ধে রুশ করোলিয়া এবং পার্থিব প্যাটেলের শতরানের ওপর ভিত্তি করে ৬০২ রান তোলে গুজরাট। ৮০ রান করেন স্পিনার অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেল। পার্থিব প্যাটেল ১২৪ রান করে আউট হন। ১১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন করোলিয়া। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো চাপে। 

তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে সৌরাষ্ট্রের ৪১৯ রানের জবাবে অন্ধ্রপ্রদেশ আপাতত ৪০ রান তুলেছে ২ উইকেট হারিয়ে। জম্বু কাশ্মীরে বৃষ্টির জন্য চর্তুথ কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা শুরু করা সম্ভব হয়নি।