অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে লড়াই করেও হারতে হলো ভারতকে। ফাইনালে গতবারের বিজয়ীদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে বাংলাদেশ। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে ডার্কওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৩ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ। বাংলা অধিনায়ক আকবর আলি গোটা টুর্নামেন্টে রান পাননি তেমন। কিন্তু জ্বলে উঠলেন ফাইনালের দিন। পরপর উইকেট পড়ার সময় একা কুম্ভ হয়ে দাঁড়িয়ে অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অসাধারণ বোলিং করেছেন লেগ স্পিনার রবি বিশ্নোই। প্রথমে মার খেলেও ভয় না পেয়ে সফল লেগস্পিনারদের সূত্র মেনে বল করেছেন তিনি। তার গুগলি সামলাতে বার বার সমস্যায় পড়েছে বাংলাদেশ। এক সময় অল্প রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট তুলে বাংলাদেশকে রীতিমতো বিপাকে ফেলে দিয়েছিলেন তরুণ এই স্পিনার।

 টসে জিতে আগে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশি অধিনায়ক আকবর আলি। কিন্তু বাংলাদেশি বোলিংয়ের সামনে কখনোই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। মাত্র ১৭৭ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতের ইনিংস। ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনেও ব্যতিক্রম যশস্বী জয়সওয়াল। অসাধারণ ব্যাটিং করেন তিনি। কিন্তু শেষমেশ সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১২ রান দূরে ব্যক্তিগত ৮৮ রানে আউট হন তিনি। কিন্তু তার সেই ইনিংস কাজে আসেনি। মাঝে বিপাকে পড়লেও বাংলাদেশি অধিনায়কের অপরাজিত ৪৩ রানের ইনিংস জয় এনে দেয় বাংলাদেশকে। ম্যাচ শেষে কিছুটা বাদানুবাদও হয় দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে।

ভারত অধিনায়ক বাংলাদেশের অসাধারণ বোলিংকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেছেন আর ৪০-৫০ রান বেশি হলে হয়তো ম্যাচের ছবি অন্যরকম হতো। বাংলা অধিনায়ক আকবর আলি বলেছেন এই জয় বাংলাদেশের সকল ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য। এই জয়ে তাদের সকলে অত্যন্ত খুশি। বাদানুবাদ প্রসঙ্গে বলেছেন, ম্যাচ শেষে ওরকম ঘটনা প্রত্যাশিত নয়। কিন্তু অনেকসময় উত্তেজনার বশে এমন ঘটনা ঘটে যায় বলে জানিয়েছেন তিনি।