শুক্রবারই ভারতের ওয়েস্টইন্ডিজ সফরের জন্য় দল নির্বাচনের কথা ছিল। কিন্তু বোর্ডের প্রশাসনিক কমিটির নিয়ম পরিবর্তবনে তা পিছিয়ে গেল একদিন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবারই ইংল্যান্ড থেকে ভারত এসে পৌঁছলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তিনি এবং মহেন্দ্র সিং ধোনি ওয়েস্টইন্ডিজ সফরে যাচ্ছেন কি না এই নিয়েই এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে যাবতীয় কৌতূহল রয়েছে।

এতদিন ভারতের দল নির্বাচনী সভার সভাপতিত্ব করতেন বিসিসিআই-এর সেক্রেটারি। কিন্তু এদিন সিওএ ঠিক করেছে এখন থেকে নির্বাচকদের চেয়ারম্যানই নির্বাচনী সভা পরিচালনা করবেন। শুধু তাই নয়, বোর্ডের সিইও বা অন্য পদাধিকারী কোনও ব্যক্তি দল নির্বাচনী সভায় থাকতে পারবেন না বলেও জানানো হয়েছে। এছাড়া কোন নির্বাচক কোন খেলা দেখতে যাবেন বা দলে কোনো পরিবর্তন করা হলে, তাও বোর্ডের সেক্রেটারিকে জানানোর দরকার নেই।

এক বোর্ডকর্তা জানিয়েছেন একবছর ধরে বোর্ডের প্রশাসন দেখলেও নাকি এতদিন এই নিয়মগুলি সম্পর্কে জানা ছিল না সিওএ সদস্যদের। সদ্যই বোর্ডের সংবিধান দেখে তাঁরা এই বিষয়গুলি জানতে পারেন। আর তারপরই এই পরিবর্তনগুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর শেষ মুহূর্তেরই এই পরিবর্তনগুলিকে কার্ষকর করার জন্যই একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে দল নির্বাচন।

এদিকে দল নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দিনই বিরাট কোহলির ভারতে পদার্পনের ফলে বিরাট ওয়েস্টইন্ডিজ সফরে যাবেন  কিনা, তাই নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপ চলাকালীনই জানানো হয়েছিল বিরাট ও বুমরাকে পুরো ওয়েস্টইন্ডিজ সফরেই বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জল্পনা চলছে, বিরাট ওয়েস্টইন্ডিজ সফরে যেতেও পারেন।

দল নির্বাচনে আরও একজনের উপর রয়েছে ফোকাস। তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনি। বিশ্বকাপের পর থেকেই তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন। অনেকেই ভেবেছিলেন কাপ ফুরোলেই তিনি অবসরের কথা ঘোষণা করবেন। কেউ কেউ বলছেন টি২০ বিশ্বকাপ ২০২০ খেলেই অবসর নেবেন ধোনি। কিন্তু, দল নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় আবার জল্পনা রয়েছে, ধোনিকে অবসরের ঘোষণা করার সুযোগ করে দিতেই সময় নেওয়া হল। কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যে তা আগামী দুইদিনের মধ্যই স্পষ্ট হয়ে যাবে।