প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনেও দুরন্ত বোলিং করলেন ভারতীয় বোলাররা। লাঞ্চ পর্যন্ত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল ইংল্যান্ড দল। লাঞ্চের পরে চা বিরতি পর্যন্তও দুটি উইকেট হারাল জো রুটের দল। যদিও অর্ধশতরান করে ইংল্যান্ডকে কিছুটা লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন বেন স্টোকস। যদিও তিনি হাফ সেঞ্চুরির পর প্যাভেলিয়নে ফেরত যান। চার বিরতিতে পর্যন্ত ইংল্যান্ডের স্কোর ১৪৪ রানে ৫ উইকেট। ফলে এখনও পর্যন্ত ম্যাচের রাশ টিম ইন্ডিয়ার হাতেই।

এদিন দিনের শুরুতে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুট। কিন্তু শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ব্রিটিশ লায়ন্সরা। ৩০ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। সাজঘরে ফেরত চলে যান দুই ওপেনার ডোম সিবলি ও জ্যাক ক্রাউলি। একইসঙ্গে আউট হন অধিনায়ক জো রুট। দুটি উইকেট পান অক্ষর প্যাটেল ও একটি উইকেট পান মহম্মদ সিরাজ। এরপর ইংল্যান্ড ইনিংসের রাশ ধরেন জনি বেয়ারস্টো ও বেন স্টোকস। লাঞ্চ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ৭৪ রানে ৩ উইকেট।

কিনেতু মধ্যাহ্ন বিরতির পরই চতুর্থ উইকেটের পতন হয় ইংল্যান্ডের। মহম্মদ সিরাজের বলে এলবিডব্লু আউট হন তিনি। বেয়ারস্টো করেন ২৮ রান। এরপর ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান স্টোকস ও অলি পোপ জুটি। বেশ কিছু আক্রমণাত্ব শট খেলেন স্টোকস। মাঝে বিরাট ও সিরাজের সঙ্গে কতা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। নিজের অর্ধশতরানও পূরণ করেন তিনি। কিন্তু ব্যাক্তিগত ৫৫ রানে আউট হন তিনি। ওয়াশিংটন সুন্দরের বলে আউট হন তিনি। ৬টি চার ও ২টি ছয়ে সাজানো ছিল স্টোকসের ইনিংস।