এক বছরের থেকেও বেশি সময় পর ভারতের মাটিতে ফিরল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ভারত বনাম ইংল্যান্ড টেস্ট দিয়ে দেশের মাটিতে পিরল ২২গজের লড়াই। কিন্তু ম্যাচের প্রথম দিনের শেষেই কিছুটা হলেও হতাশ ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমিরা। কারণ চেন্নাইতে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনের শেষে জো রুট ও ডম সিবলির অনবদ্য ব্যাটিংয়ে সওয়ারি হয়ে চালকের আসনে ইংল্যান্ড দল। ভারতের মাটিতেই টেস্ট কেরিয়ার শুরু করেছিলেন জো রুট। সেই ভারতের মাটিতেই নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে স্মরণীয় করে রাখলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।

টেস্ট শুরুর আগে ভারতীয় দলকে হুঁশিয়ারীর সুরে জো রুট বলেছিলেন বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয়ের ক্ষমতা তার দলের রয়েছে। বারতে ৪টি টেস্ট জেতার শক্তিও রয়েছে ইংল্যান্ড দলের। শুধু আওয়াজ নয়, রুটের কথা যে কতটা সত্যি তা চেন্নাইয়তে প্রথম দিনের শেষেই প্রমাণ। দিনের শুরুতেই টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ব্রিটিশ অধিনায়ক। ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৬৩ রানের পার্টনারশিপ করেন জো বার্নস ও ডম সিবলি। কিন্তু ব্যক্তিগত ৩৩ রানের মাথায় রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হন বার্নস। তিনি করেন ৩৩ রান। এরপর ক্রিজে এসে খাতা না খুলেই ফেরত যান ড্যান লরেন্স। বুমরার শিকার হন তিনি।

দলের ৬৩ রানের মাথায় পরপর দুটি উইকেট পড়ায় কিছুটা চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড দল। কিন্তু এখান থেকে দলের ইনিংসের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অধিনায়ক জো রুট ও ডম সিবলি। প্রথমে উইকেট না হারিয়ে ধৈর্য্যশীল ব্যাটিং করেন দুই ব্য়াটসম্যান। সেট হওয়ার পর ধীরে ধীরে রানের গতিবেগ বাড়ান রুট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্য়াট করে নিজেদের মধ্যে পার্টনারশিপ করেন  রুট ও সিবলি। নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন সিবলি ও শতরান করেন অধিনায়ক রুট। নিজেদের মধ্যে ২০০ রানের পার্টনারশিপও করেন তুই ইংলিশ ব্যাটসম্যান। কিন্তু দিনের শেষ বলে বুমরার বলে আউট হন সিবলি। তিনি করেন ৮৭ রান। ১২৮ রানে অপরাজিত থাকেন রুট। প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর ২৬৩ রানে ৩ উইকেট। দ্বিতীয় দিনে ইংল্যান্ডের ইনিংস তাড়াতাড়ি শেষ করতে না পারলে ভারতীয় দলের চাপ আরও বাড়বে বলেই মত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের।