প্রথম ইনিংসে এখনও অবধি পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন অভিজ্ঞ পেসার ইশান্ত শর্মা। তার মতে জেট ল্যাগ কাটিয়ে এখনও অবধি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। ফলে তা প্রভাব ফেলেছে তার পারফরম্যান্সে। প্রসঙ্গত প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের সাথে ভারতীয় বোলারদের গুনগত মানের পরিষ্কার পার্থক্য ধরা পড়েছে সকলের চোখে। 

প্রথম টেস্ট শুরুর মাত্র ৭২ ঘন্টা আগে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে নেমেছিলেন ইশান্ত শর্মা। তারপর দেরি করে ফিটনেস টেস্টে নেমেছিলেন তিনি। সেই টেস্টে তিনি উত্তীর্ণও হন। পরে ইশান্ত জানিয়েছেন যে তিনি সেইদিন মাত্র ৩ ঘন্টা ঘুমিয়েছেন এবং শুক্রবার মাত্র ৪০ মিনিট ঘুমিয়েছেন।

এই সমস্ত বাঁধা বিপত্তির পরও অন্তত দ্বিতীয় দিনে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন দিল্লির পেসার। ১৫ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩১ রান দিয়ে তুলে নিয়েছিলেন তিনটে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। মূলত তার দাপটেই একসময় নিশ্চিন্ত ছন্দে ব্যাটিং করে চলা নিউজিল্যান্ডকে শেষবেলায় একটু বিপত্তিতে পড়তে হয়। যার ফলে  ঈশান্তের বোলিং দেখে তার মধ্যে কোনরকম চোটের লক্ষণ বোঝা যায়নি। দিল্লির হয়ে চোট পাওয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই টেস্টই তাঁর প্রথম  ম্য়াচ। কিন্তু বোলিংয়ে কোনোরকম অস্বস্তি ধরা পড়েনি। এর পুরো কৃতিত্ব ইশান্ত দিয়েছেন এনসিএ কে। তাদের সাহায্যেই এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন তিনি। তাঁর এই বয়ান যে কথার কথা নয় তা টেস্টের তৃতীয় দিনেও প্রমাণ হয়েছে। এদিনও আরও দুই উইকেট তিনি তুলে নেন এবং সেই সঙ্গে প্রথম ইনিংসে ইশান্তের ঝুলিতে সঞ্চয় ৫ উইকেট। 

ইশান্ত নিজে জানিয়েছেন তিনি প্রচণ্ড ক্লান্ত। ঘুমের অভাব ঘটেছে গত ৩ দিন ধরে। কিন্তু দল নবাগত সাইনির বদলে তাকেই খেলাতে চাওয়ায় আর ২ বার ভাবেননি তিনি। দল চাইলে তার পক্ষে যা যা সম্ভব সবকিছু তিনি করবেন বলে জানিয়েছেন অভিজ্ঞ পেসার। আপাতত ইশান্ত এবং তার সতীর্থদের লক্ষ্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিউজিল্যান্ডকে দ্বিতীয় ইনিংসে অল-আউট করা।