বিশ্ব জুড়ে বর্তমানে আয়োজন করা হয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগের। কিন্তু আইপিএলে ধারে কাছে আসতে পারেনি কেউই। তা সে লগ্নি, জনপ্রিয়তা, বহর থেকে শুরু করে সবকিছুর। কিন্তু চলতি বছরে করোনা ভাইরাসের কারণে আইপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ইতিবাচক মন্তব্যের পর নতুন করে আসার আলো দেখছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হলেও বিসিসিআই চলতি বছর আইপিএল আয়োজন করার ব্যাপারে সম্ভাব্য সমস্ত বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে চাইছে। অনুরাগী, ফ্র্যাঞ্চাইজি, ব্রডকাস্টার, স্পনসর সহ অন্যান্য স্টকহোল্ডাররাও অধীর আগ্রহে আইপিএলের দিকে তাকিয়ে আছে। ভারত এবং অন্যান্য দেশের অসংখ্য ক্রিকেটার আইপিএলে অংশগ্রহণ করতে চেয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা ভীষণভাবে আশাবাদী। বিসিসিআই খুব শীঘ্রই আইপিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।’ সৌরভের এই মন্তব্যের পরই অনুশীলন শুরুর দিন ঘোষণা করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আইপিএল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও, আইপিএলের কোয়ালিটি নিয়ে কম্প্রোমাইজ করার পক্ষ পাতি নয় কলকাতা নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষ। আইপিলের কোয়ালিটি আইপিএলকে বিশ্বের দরবারে স্পেশাল বানিয়েছে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কেকেআর সিইও বেঙ্কি মাইসোর।

আরও পড়ুনঃলা-লিগা এবং সিঁরি আ এর পর ফিরতে চলেছে মেজর লিগ সকার

আরও পড়ুনঃফ্রাঙ্কফুটে ইউরোপা লিগের বাকি অংশ আয়োজন করতে চায় ইউয়েফা

করোনা ভাইরাসের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য আইপিএল স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর নানা রকম জল্পনা শোনা গিয়েছিল। কখনও বিদেশি ছাড়া আইপিএল, কখনও আবার বিদেশের মাটিতে আইপিএল। বেঙ্কি মাইসোর মনে করেন,এমনটা বাস্তবে হলে টুর্নামেন্টের মানের সঙ্গে আপোস করা হবে। আমি এটা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে তোমার কাছে যে প্রোডাক্ট রয়েছে তার কোয়ালিটির সঙ্গে কখনও আপোস করো না। আমাদের কাছে যে প্রোডাক্টটা রয়েছে তার কোয়ালিটিই ওটাকে ভীষণ স্পেশাল বানিয়েছে। তাই আমার মতে টুর্নামেন্টটা পুরোদমে আয়োজন করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ম্যাচ সংখ্যা একই রেখে, দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণেই আয়োজন করা হোক আইপিএল।' এছড়া কেকেআর সূত্রে খবর, আইপিএলের সব কিছুই স্পেশাল তার কোনও কিছু সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করা হলে তা আদতে আইপিএলের ক্ষতি সাধন করবে। বর্তমানে স্বাস্থ্যের কথা বাবে কিছু বিধিনিষেধ তো সকলকেই মানতে হবে। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ম্যাচ করা, প্লেয়ার, কোচ , সাপোর্টিং স্টাফদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি লাগু করা। এই সব কিছু বর্তমান পরিস্থিতিতে  অপরিহার্য। কিন্তু আইপিএলের কোয়ালিটির সঙ্গে কোনওরকম আপোশ মেনে নেবে না কলকতা নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুনঃজীবন থেকে ৬-৮ মাস ক্রিকেট হারিয়ে গেল,আক্ষেপ উমেশ যাদবের