সামনের শুক্রবারই (২৬ জুলাই) বৈঠকে বসছেন ভারতীয বোর্ডের প্রশাসনিক কমিটির কর্তারা। আগে শোনা যাচ্ছিল, বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর্যালোচনার সঙ্গে সঙ্গে দলে বিরাট-রোহিত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ নিয়েও আলোচনা করবেন। কিন্তু সংবাদ সংস্থা আইএনএস-কে দেওয়া সাক্ষাতকারে এক সিওএ সদস্য জানিয়েছেন, যদি ক্রিকেটাররা নিজে থেকে কোনও দ্বন্দ্বের অভিযোগ না করেন, তাহলে তাঁরা নিজে থেকে বিষয়টি উত্থাপন করবেন না।

সিওএ-র মত হল, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর নিয়ে তাঁরা আলোচনা করতে পারেন না। ক্রিকেটারদের মধ্যে কোনও সমস্যা থাকলে, তাঁদের নিজেদেরকেই সেই সমস্যা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে প্রশাসনিক কমিটির কাছে। কাজেই ক্রিকেটাররা নিজেরা যতক্ষণ না বলছেন, ততক্ষণ সিওএ দলের মধ্যে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই বলেই ধরে নেবে। তাই বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনা হবে না।

সিওএ-র এই মনোভাব কিন্তু বিসিসিআই কর্তারা মানতে পারছেন না। তাঁদের মত হল, সিওএ-র উচিত হয় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের রাস্তা বের করা। আর নাহলে বিষয়টি আপাতত চেপে রেখে দলের ম্যানেজারের কাছ থেকে এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করা। বোর্ডের একাংশের মতে প্রশাসনিক বিষয়ে সিওএ সদস্যদের যতটা না নজর, তার থেকে বোর্ডের রাজনীতিতে নাক গলাতেই তাঁরা বেশি আগ্রহী।

ভারত বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পরই সংবাদমাধ্যমে দলের মধ্যে বিরাট-রোহিত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠেছিল। এই অবস্থায় বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে জিইয়ে রাখলে দলের ক্ষতি বই লাভ হবে না বলেই মনে করছেন বোর্ড কর্তারা।