এবার 'মিটু' কাণ্ডে অভিযুক্ত হলেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার। একাধিক মহিলার সঙ্গে ক্রিকেটারদের সম্পর্ক নতুন কোনও ব্যাপার নয়। সেই তালিকায় এবার নিজের নাম লেখালেন পাকিস্তানের ওপেনিং ব্যাটসম্যান ইমাম উল হক। একাধিক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক  রাখার অভিযোগে  অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি । টুইটারে একজন মহিলা ইউজার, অন্য মহিলাদের সঙ্গে হওয়া ইমাম উল-এর সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট-এর স্ক্রিনশট টুইটারে আপলোড করেছেন।  
 
ওই মহিলা লিখেছেন, ইমাম একসঙ্গে সাত থেকে আট জন মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন। মহিলাদের সম্মানও এইভাবে ইমাম উল নষ্ট করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা। এছাড়াও ওই  মহিলা লিখেছেন, মহিলাদের কাছেই নিজেকে সব সময় সিঙ্গল বলে দাবী করেছেন হক। অথচ, পিছনের কাহিনি হল সে সময় ইমাম উল একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলেছেন। যদিও, অনেকেই ইমাম উল-এর বিরুদ্ধে করা এই অভিযোগ মানতে নারাজ। ওই মহিলার বক্তব্যের বিরোধিতা করে আর এক টুইটার ব্যবহারকারি লিখেছেন, কাউকে ডেটিং করা বা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিয়ে না করা অবশ্যই 'মিটু'-র অন্তর্ভুক্ত। তবে এখানে কখনওই ইমাম উল হক-কে কারও থেকে কোনও  ছবি চাইতে বা কাউকে হয়রান করতে দেখা যায়নি। বরং মনে হয়েছে সমস্ত ঘটনাই উভয়পক্ষের সম্মতিতেই ঘটেছে। তাই এটা কোনও ভাবেই 'মিটু'-র মধ্যে পরে না বলেও দাবি করেছেন ইমাম উল-এর সেই শুভাকাঙ্খি। তিনি এটাও বলেন যে কারও সম্পর্কে অকারণে এরকম অভিযোগ নিয়ে আসা অযৌক্তিক। এর জন্য 'মিটু' মুভমেন্ট নিজের স্বচ্ছতা হারাবে বলেও দাবি করেছেন তিনি। এই ধরনের ঘটনার যারা প্রকৃত শিকার তারা কোন সাহায্য পাবে না বলেও মনে করছেন ইমাম উল-এর সেই শুভাকাঙ্খি। 

পাকিস্তানের সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটার হিসাবে শতরানের রেকর্ড করেছেন ইমাম উল হক। বিশ্বকাপে পাকিস্তান-এর গোটা দলের তাঁর উপর নির্ভরশীলতা চোখ এড়িয়ে যায়নি কারও। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে লর্ডস-এ শতরান করেছিলেন ইমাম উল। যা পাকিস্তানকে ৯৪ রানে ম্যাচ জিততে সাহায্য করেছিল। শুধুমাত্র নেট রান রেটের জন্য বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে যেতে পারেনি পাকিস্তান। সেই হতাশা কাটতে না কাটতেই আবারও শিরোণামে তাদের লিড ক্রিকেটারের নাম। তবে এবার বিষয়টা মহিলা সংক্রান্ত। যা কখনই চোখ এড়িয়ে যায়নি নেটিজেনদের। এই অভিযোগ কতটা যুক্তিযুক্ত সেটাই খতিয়ে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে।